কার্গোতে একের পর এক অগ্নিকাণ্ড আর মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে ঢাকা কাস্টমস হাউজে কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব প্রবৃদ্ধি হয়নি বলে জানিয়েছেন কমিশনার মোহা. মসিউর রহমান। তিনি বলেন, গত অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ৪ শতাংশ, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬ শতাংশ কম। মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা কাস্টমস হাউজের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাংলাদেশ এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের (বাটজা) নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানান কমিশনার মোহা. মসিউর রহমান।
তিনি বলেন, রাজস্ব আদায় বাড়াতে চলতি অর্থবছরে টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কাছে ঢাকা কাস্টমসের ৪৫৫ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। বারবার অগ্নিকাণ্ডে কাস্টমসের স্ক্যানারসহ গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে পণ্য খালাস ও শুল্কায়ন কার্যক্রমে ধীরগতি তৈরি হয়েছে। তৈরি হয়েছে নানা সীমাবদ্ধতাও। এসব সংকট কাটিয়ে উঠতে পারলে কাস্টমসের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন কমিশনার।
রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে কঠোর অবস্থানের কথাও জানান তিনি। কাস্টমস হাউজে পণ্য লিকেজ, চুরি কিংবা শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা হলে সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে সতর্ক করেন মসিউর রহমান। তার ভাষায়, রাজস্ব সুরক্ষার পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই কাস্টমসের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
