১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এ বছরের (২০২৬ সাল) উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। ফলাফলের সর্বোচ্চ সূচক জিপিএ-৫ পেয়েছেন জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন পরীক্ষার্থী। ২০২৫ সালের এ পরীক্ষায় প্রথমে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন পরীক্ষার্থী। পরে অবশ্য পুনর্নিরীক্ষণ ও উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নে আরও আরও ৩ হাজার ৭৯ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন। আর তার আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৪ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ জন।
শনিবার বেলা ১১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ফলাফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গেই ফলাফল নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে একযোগে প্রকাশিত হচ্ছে। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, প্রথমে ২৯ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের কথা ছিল। পরে তারিখ পরিবর্তন করে শনিবার নির্ধারণ করা হয়।
আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছে বোর্ড প্রকাশিত ফলাফল সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এবং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনলাইনের মাধ্যমে ফলাফল ডাউনলোড করে প্রকাশ করার জন্য ওই ওয়েবসাইটের রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএনের (প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি নম্বর) মাধ্যমে ফলাফল ডাউনলোড করতে হবে। পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর কমন ওয়েবসাইট ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন। পরীক্ষার্থীরা ফলাফল নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও সংগ্রহ করতে পারবেন।
এ ছাড়া পরীক্ষার্থীরা যেকোনো মুঠোফোন নম্বর থেকে ১৬১৪০ নম্বরে খুদে বার্তা পাঠিয়ে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন। উদাহরণ: HSC Dha 123456 2026 লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড বা পত্রিকা অফিসে কোনো ফলাফল পাওয়া যাবে না। উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণসহ পুনর্মূল্যায়নের জন্য অনলাইনের মাধ্যমে আগামী ১ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে। আবেদনের প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ২ জুলাই। এবার নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থী ১২ লাখের বেশি। অবশ্য পরীক্ষায় কিছুসংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।
