** মাসে গড়ে ১ লাখ ৬৪ হাজার প্রতিষ্ঠান শূন্য ভ্যাট রিটার্ন দেয়
** এসব প্রতিষ্ঠান থেকে মাসে ৫০ কোটি টাকার ভ্যাট আদায় সম্ভব
** সবচেয়ে বেশি শূন্য রিটার্ন জমা হয় ঢাকার চারটি কমিশনারেটে
** সবচেয়ে বেশি শূন্য রিটার্ন দেয় আমদানিকারক ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান
** বছরে ১৫ হাজার কোটি টাকা রেয়াত নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোও শূন্য রিটার্ন দেয়
** ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ভ্যাট দিয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার প্রতিষ্ঠান
দেশে নিবন্ধনের বাইরে থাকা লাখ লাখ প্রতিষ্ঠান থেকে ভ্যাট আদায় করা সম্ভব হয় না। তবে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থাও প্রায় একই। বহুজাতিক কোম্পানি থেকে শুরু করে দেশীয় শিল্পগোষ্ঠী, আমদানিকারক ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন খাতের অনেক প্রতিষ্ঠানই নিয়মিত ভ্যাট ফাঁকি দিচ্ছে। কেউ কেউ নামমাত্র ভ্যাট দিলেও, হাজারো প্রতিষ্ঠান কোনো ভ্যাটই পরিশোধ করছে না এবং শূন্য রিটার্ন জমা দিচ্ছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, প্রতি মাসে গড়ে ১ লাখ ৬৪ হাজার নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান শূন্য ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করছে। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে মাসে গড়ে সর্বোচ্চ ৫০ কোটি টাকার ভ্যাট আদায় সম্ভব। অর্থাৎ বছরে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের সুযোগ থাকলেও যথাযথ যাচাই-বাছাই না হওয়ায় তা আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না।
এনবিআর জানিয়েছে, এসব ফাঁকিবাজ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রেয়াতি বা করছাড় সুবিধা নেওয়া প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। পাশাপাশি এমন অনেক প্রতিষ্ঠান আছে, যাদের থেকে লাখ টাকার ভ্যাট আদায় সম্ভব হলেও তারা সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা বা নামমাত্র ভ্যাট পরিশোধ করছে। এ ধরনের ভ্যাট ফাঁকি রোধে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে এনবিআর। শূন্য থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করা প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি তালিকাও তৈরি করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মাঠ পর্যায়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কমিশনারেটগুলোকে সম্প্রতি চিঠি দিয়েছে এনবিআর।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ৭ লাখ ৭৮ হাজার ৫০৬টি ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৮ মাসে শূন্য রিটার্ন দাখিল হয়েছে ১৩ লাখ ১২ হাজার ৮৭৫টি। সে হিসাবে গড়ে প্রতিমাসে শূন্য রিটার্ন জমা হয়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ১০৯টি। অর্থাৎ প্রতিমাসে ১ লাখ ৬৪ হাজার ১০৯টি প্রতিষ্ঠান কোনো ভ্যাট পরিশোধ করেনি। অথচ মাসে গড়ে ৩ হাজার টাকা করে ভ্যাট দিলেও এসব প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ৫০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় হতো। এই ৮ মাসে শূন্য থেকে ৫ হাজার টাকার ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করেছে ২০ লাখ ১৭ হাজার ৯৫২টি প্রতিষ্ঠান।
এনবিআরের হিসাব অনুযায়ী, ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাট কমিশনারেটে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১ লাখ ৬০ হাজার ৩০৪টি। গত ৮ মাসে এই কমিশনারেটে শূন্য রিটার্ন জমা পড়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৩৫৬টি। অর্থাৎ প্রতিমাসে গড়ে প্রায় ২৪ হাজার নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান কোনো ভ্যাট পরিশোধ করেনি। একই সময়ে শূন্য থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ভ্যাট রিটার্ন জমা দিয়েছে ২ লাখ ৯০ হাজার ৫৮৯টি প্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে ঢাকা উত্তর ভ্যাট কমিশনারেটে নিবন্ধিত ১ লাখ ১৮ হাজার ২১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একই ৮ মাসে শূন্য রিটার্ন জমা পড়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ১২৭টি। এতে দেখা যায়, প্রতিমাসে গড়ে প্রায় ১৮ হাজার প্রতিষ্ঠান কোনো ভ্যাট না দিয়েই শূন্য রিটার্ন দাখিল করেছে। এছাড়া এই কমিশনারেটে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ভ্যাট রিটার্ন জমা দিয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার ২১২টি প্রতিষ্ঠান।
ঢাকা পশ্চিম ভ্যাট কমিশনারেটের নিবন্ধিত ৯৪ হাজার ৫২৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮ মাসে শূন্য রিটার্ন জমা হয়েছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৮৪০টি। অর্থাৎ প্রতিমাসে গড়ে ১৯ হাজার প্রতিষ্ঠান কোনো ভ্যাট দেয়নি। আর শূন্য থেকে ৫ হাজার টাকা পরিশোধ করা রিটার্ন জমা হয়েছে২ লাখ ২৫ হাজার ৬৩৯টি। ঢাকা পূর্ব ভ্যাট কমিশনারেটের নিবন্ধিত ৫৩ হাজার ৫৪৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮ মাসে শূন্য রিটার্ন জমা হয়েছে ৬২ হাজার ৮০৫টি। অর্থাৎ প্রতিমাসে গড়ে ৮ হাজার প্রতিষ্ঠান কোনো ভ্যাট দেয়নি। আর শূন্য থেকে ৫ হাজার টাকার রিটার্ন জমা হয়েছে১ লাখ ১১ হাজার ৩৩৩টি।
এনবিআর সূত্রমতে, ঢাকার বাইরে সবচেয়ে বেশি ৯৩ হাজার ১১৭টি ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম ভ্যাট কমিশনারেটে। এর মধ্যে ৮ মাসে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৬৮৯টি শূন্য রিটার্ন জমা পড়েছে। অর্থাৎ প্রতিমাসে গড়ে ২২ হাজার প্রতিষ্ঠান কোনো ভ্যাট দেয়নি। শূন্য থেকে ৫ হাজার টাকার রিটার্ন জমা হয়েছে ৩ লাখ ৩ হাজার ৪৮২টি। খুলনা ভ্যাট কমিশনারেটের নিবন্ধিত ৫৩ হাজার ৬১৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮ মাসে শূন্য রিটার্ন জমা হয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৮৪৬টি। অর্থাৎ প্রতিমাসে গড়ে ১৭ হাজার প্রতিষ্ঠান কোনো ভ্যাট পরিশোধ করেনি। আর শূন্য থেকে ৫ হাজার টাকা পরিশোধ করা রিটার্ন জমা হয়েছে১ লাখ ৮৪ হাজার ৭৬৬টি।
এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, সিলেট ভ্যাট কমিশনারেটে নিবন্ধিত ৩২ হাজার ৬৬২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে গত ৮ মাসে শূন্য রিটার্ন জমা পড়েছে ৫০ হাজার ৬১৪টি। এতে দেখা যায়, প্রতিমাসে গড়ে প্রায় ৬ হাজার ৩২৬টি প্রতিষ্ঠান কোনো ভ্যাট পরিশোধ করেনি। একই সময়ে শূন্য থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ভ্যাট রিটার্ন জমা দিয়েছে ৭৯ হাজার ৬০০টি প্রতিষ্ঠান।রংপুর ভ্যাট কমিশনারেটের ক্ষেত্রে নিবন্ধিত ৩৯ হাজার ৪৫১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮ মাসে শূন্য রিটার্ন জমা হয়েছে ৮১ হাজার ৭৫৬টি। অর্থাৎ প্রতিমাসে গড়ে প্রায় ১০ হাজার প্রতিষ্ঠান ভ্যাট ছাড়াই শূন্য রিটার্ন দাখিল করেছে। এ সময়ে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ভ্যাট পরিশোধ করেছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৭১৪টি প্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে রাজশাহী ভ্যাট কমিশনারেটে নিবন্ধিত ৫০ হাজার ৫৩১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একই সময়ে শূন্য রিটার্ন জমা পড়েছে ১ লাখ ৩২ হাজার ৩টি। এতে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার প্রতিষ্ঠান কোনো ভ্যাট দেয়নি। এছাড়া ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ভ্যাট রিটার্ন জমা দিয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৪৪টি প্রতিষ্ঠান।
কুমিল্লা ভ্যাট কমিশনারেটের নিবন্ধিত ৪১ হাজার ১১৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে গত ৮ মাসে শূন্য রিটার্ন জমা পড়েছে ৬৯ হাজার ৩০৪টি। এতে দেখা যায়, প্রতিমাসে গড়ে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার প্রতিষ্ঠান কোনো ভ্যাট পরিশোধ করেনি। একই সময়ে শূন্য থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ভ্যাট রিটার্ন জমা দিয়েছে ১ লাখ ৪ হাজার ৬৬৫টি প্রতিষ্ঠান। যশোর ভ্যাট কমিশনারেটের ক্ষেত্রে নিবন্ধিত ৪১ হাজার ৫০৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একই সময়ে শূন্য রিটার্ন জমা পড়েছে ১ লাখ ৮ হাজার ৫৩০টি। অর্থাৎ প্রতিমাসে গড়ে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার প্রতিষ্ঠান কোনো ভ্যাট ছাড়াই শূন্য রিটার্ন দাখিল করেছে। এ সময়ে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ভ্যাট পরিশোধ করেছে ১ লাখ ৮৮ হাজার ২৭২টি প্রতিষ্ঠান। এছাড়া বৃহৎ করদাতা ইউনিট (এলটিইউ)-মূসক-এর আওতায় নিবন্ধিত ১১০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান শূন্য রিটার্ন দিয়েছে এবং ৩৬টি প্রতিষ্ঠান শূন্য থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ভ্যাট পরিশোধ করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কাঁচামাল আমদানি করে পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানির ক্ষেত্রে রেয়াত সুবিধা পাওয়া যায়, তবে এর শর্ত হলো তথ্য-উপাত্ত সমৃদ্ধ ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করা। কিন্তু অনেক উৎপাদনকারী ও বাণিজ্যিক আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানই শূন্য রিটার্ন দাখিল করছে, যেখানে পর্যাপ্ত তথ্য-উপাত্ত থাকে না।
এনবিআরের হিসাবে, গত তিন অর্থবছরে কেবল চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস দিয়ে রেয়াতি সুবিধায় প্রায় ১৫ লাখ টন পণ্য আমদানি হয়েছে; যার মূল্য প্রায় ৯৮ হাজার কোটি টাকা। এতে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার ভ্যাট রেয়াত নেওয়া হয়েছে। আবার অন্য কাস্টম হাউস দিয়েও প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা রেয়াত নেওয়া হয়েছে। ২০২০-২১ থেকে ২০২২-২৩ পর্যন্ত তিন অর্থবছরে উৎপাদনকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও বাণিজ্যিক আমদানিকারকরা সিপিসি-১২০ ও ২২০ সুবিধায় মোট ১৫ লাখ ৫ হাজার ১২ টন পণ্য আমদানি হয়েছে; যার শুল্কায়নযোগ্য মূল্য ৯৮ হাজার ৬৯১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। আমদানি করা এসব পণ্যের ওপর ১৫ শতাংশ হারে মূসক রেয়াত নেওয়া হয়েছে ১৪ হাজার ৯৫১ কোটি ৭১ লাখ টাকা করে। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস প্রতি বছর ৪ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকার রেয়াত দিয়েছে।
শূন্য রিটার্ন সম্পর্কে একাধিক ভ্যাট কমিশনারেটের একাধিক কর্মকর্তা জানান, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও বন্ডেড প্রতিষ্ঠান সবচেয়ে বেশি শূন্য রিটার্ন জমা দেয়। এছাড়া রেয়াত নেওয়া প্রতিষ্ঠানও শূন্য রিটার্ন দেয়। শূন্য রিটার্ন কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। এনবিআরের নির্দেশনা পাওয়ার পর শূন্য রিটার্ন ধরে ধরে কমিশনারেটের মাঠ অফিসগুলো কাজ করছে। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানের ফাঁকিও বের হয়েছে। তবে সঠিকভাবে ভ্যাট আদায় করতে হলে পুরো সিস্টেম ডিজিটালাইজড করতে হবে।
** বিক্রি গোপন, সই জালিয়াতি, ৮.৫০ কোটি ভ্যাট ফাঁকি
** ভ্যাট ফাঁকি হ্রাস ও কর্মপরিকল্পনা তৈরিতে টাস্কফোর্স গঠন
** উৎসে ভ্যাট ফাঁকি ও অবৈধ রেয়াত নেয় ব্র্যাক ব্যাংক
** ভ্যাট ফাঁকি-অবৈধ রেয়াত নেয় ইন্টারকন্টিনেন্টাল
** ১২৬ প্রতিষ্ঠানের ১,৫৮৬ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি
** ১৮ হাজার কোটি ভ্যাট ফাঁকি দেয় হোটেল-রেস্তোরাঁ
** ‘স্যামসাংয়ের’ ভ্যাট ফাঁকি ১৬২ কোটি টাকা
** পাঁচ মহাসড়কে ৭০ রেস্টুরেন্ট, ভ্যাট ফাঁকি বন্ধ হচ্ছে
** ২৭৫ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকিতে ১০ কোটিতে রফা
** ১৫ বিমা কোম্পানির ৫৯ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি
** এএফসি এগ্রোর ৯ কোটি ২৮ লাখ টাকা ভ্যাট ফাঁকি
** তথ্য গোপন করে প্রিমিয়ার সিমেন্টের ভ্যাট ফাঁকি
** ভ্যাট ফাঁকিতে অনলাইন মার্কেটপ্লেস ‘দারাজ’
** ‘ওয়ার্টসিলা বাংলাদেশ’র ২২ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি
** কাই অ্যালুমিনিয়ামের ৮.৫ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি
** ডেল্টা লাইফের সাড়ে ২৫ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি
** ২৫,২০০ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের!
** ঢাকা রিজেন্সি হোটেলের ৫৮ লাখ টাকা ভ্যাট ফাঁকি
** ভ্যাট ফাঁকির ৬.৩৬ কোটি টাকা পরিশোধ করল পপুলার গ্রুপ
** ফু-ওয়াং বারের ৪১ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি
** ড্যানিশ ফুডসের ৩.৪৬ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি
** ইফাদ মাল্টির ১২৫ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি
** ইফকো হোটেলসের ২৮ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি
