বৈরী আবহাওয়ায় চট্টগ্রামে নামতে পারেনি ৩ ফ্লাইট

ভারী বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার প্রভাবে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান করা বড় আকারের ৪৩টি জাহাজ থেকে পণ্য খালাস কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে জেটিতে কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে এবং সেখান থেকে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও লরির মাধ্যমে পণ্য পরিবহন অব্যাহত আছে। একই সঙ্গে কাস্টমসের শুল্কায়ন প্রক্রিয়াও স্বাভাবিকভাবে চলছে। অন্যদিকে, রানওয়েতে বৃষ্টির পানি জমে যাওয়ায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনটি ফ্লাইট অবতরণ করতে পারেনি।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব রেফায়েত হামিম বলেন, সাগর উত্তাল থাকায় বহির্নোঙরে পণ্য খালাস কার্যক্রম আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি হলে আবার শুরু করা হবে খালাস কার্যক্রম। তিনি জানান, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি রয়েছে। এজন‍্য বহির্নোঙরে থাকা ৪৩টি জাহাজ থেকে পণ্য খালাস কাজ স্থগিত আছে।

রেফায়েত হামিম জানান, তারা আবহাওয়া অধিদপ্তরের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন এবং সতর্ক সংকেত ৩ নম্বরের নিচে নেমে এলে বন্দরের কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করা হবে। তিনি আরও বলেন, ভারী বৃষ্টির মধ্যেও বন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালগুলোতে কনটেইনার হ্যান্ডলিং কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। অন্যদিকে, বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করতে না পেরে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ রুটের তিনটি ফ্লাইট ঢাকায় ডাইভার্ট করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ। তিনি বলেন, ভারী বৃষ্টিতে রানওয়েতে পানি জমে যাওয়ায় বিমান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে, তবে বৃষ্টি কমলেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ জানান, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের আবুধাবি-চট্টগ্রাম ফ্লাইটটি ডাইভার্ট হয়ে ঢাকা অবতরণ করে। একইভাবে এয়ার আরাবিয়ার শারজাহ-চট্টগ্রাম ফ্লাইট ডাইভার্ট হয়ে ঢাকা অবতরণ করে। এছাড়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ঢাকা-চট্টগ্রাম ফ্লাইটটি চট্টগ্রামে নামতে না পেরে পুনরায় ঢাকা ফিরে যায়।