বাস্তব সম্পদে ভরপুর, কর ফাইলে নামমাত্র

মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান

** সাত করবর্ষের রিটার্ন পাওয়া গেলেও আগের রিটার্নের হদিস নেই
** ৩ কোটি থেকে সম্পদ বেড়েছে ১৮ কোটি, সম্পদ বৃদ্ধির হার ৩৮৬ শতাংশ
** ২০১৩ সালে ই-টিআইএন নিলেও ২০১৩ সাল থেকে কোন রিটার্ন পাওয়া যায়নি
** দুদকের তদন্তে দেশে-বিদেশে বিপুল পরিমাণ সম্পদ থাকলে করফাইলে নামমাত্র সম্পদ রয়েছে

ঘুষ, দুর্নীতি ও অবৈধ পন্থায় দেশে-বিদেশে ভরপুর সম্পদ গড়েছেন। নিজের ছাড়াও পরিবারের সদস্যদের নামেও গড়েছেন। এই সম্পদের নামমাত্র অংশ আয়কর ফাইলে দেখানো হয়েছে। বেশিরভাগ সম্পদ গোপন করা হয়েছে। আবার করফাইলে দেখানো সম্পদ যেন হু হু করেছে। যদিও মাত্র সাত করবর্ষের রিটার্ন পাওয়া গেছে। বাকি করবর্ষের করফাইলের কোন হদিস নেই। দেশে থাকা সম্পদের নামমাত্র অংশ দেখানো হলেও বিদেশে পাচার করা সম্পদের কিছু দেখাননি। ক্ষমতার ভয়ে কর অফিস কখনো তার সম্পদ নিয়ে টু শব্দ করেনি। তবে আয়কর ফাইলে দেখানো সম্পদের সঙ্গে বাস্তবে পাওয়া সম্পদের কোন মিল নেই। করফাইলের চেয়ে বাস্তবে কয়েকশ গুণ বেশি সম্পদ পাওয়া গেছে। করফাইলে সম্পদ লুকানো ব্যক্তি হলেন মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান (বরখাস্ত)। সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) বিতর্কিত এই কর্মকর্তার আয়কর সংক্রান্ত তথ্য পাঠানো হয়েছে।

যাতে দেখা গেছে, করফাইলে ৭ করবর্ষে সম্পদ বেড়েছে ৫ গুণ। ২০১৩ সালে নতুন ই-টিআইএন নিলেও ২০১৭-১৮ করবর্ষের আগ পর্যন্ত কোন নথি পাওয়া যায়নি। শুধু ২০১৩ নয়, এই কর্মকর্তা এর আগেও টিআইএন ছিলো। কিন্তু কোন রিটার্ন পাওয়া যায়নি। আর দুদকের অনুসন্ধানে এই কর্মকর্তা ও তার পরিবারের দেশে-বিদেশে বিপুল পরিমাণ সম্পদ পাওয়া গেছে, যা আয়কর ফাইলে দেখানো হয়নি। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে ঢাকার খিলক্ষেত এলাকা থেকে জিয়াউল আহসানকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে নিউমার্কেট থানার একটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এখন তিনি কারাগারে রয়েছেন।

এনবিআর সূত্রমতে, জিয়াউল আহসান কর অঞ্চল-৯, ঢাকার একজন করদাতা। এই কর্মকর্তা ও তার স্ত্রীর বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়ায় দুদক মামলা করেছে। ওই মামলার সুষ্ঠ তদন্তের স্বার্থে জিয়াউল আহসানের আয়কর নথি চেয়ে এনবিআরকে দুদক থেকে সম্প্রতি চিঠি দেওয়া হয়। এনবিআর যাচাই শেষে জিয়াউল আহসানের আয়কর সংক্রান্ত তথ্য সম্প্রতি দুদকে প্রেরণ করা হয়েছে। যাতে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালের ২ জুলাই জিয়াউল আহসান টিআইএন ডি-রেজিস্ট্রেশন অর্থাৎ এনালগ থেকে ডিজিটাল বা অনলাইনে ই-টিআইএন নিবন্ধন নেয়া হয়েছে। যাতে তিনি কর অঞ্চল-৯, ঢাকার সার্কেল-১৯৫ এর নিবন্ধিত করদাতা হয়েছেন। যদিও তিনি কর অঞ্চল সিলেটে রিটার্ন দাখিল করতেন। ২০২২ সালের ৫ এপ্রিল কর অঞ্চল সিলেট থেকে কর অঞ্চল-৯, ঢাকায় এই করদাতার আয়কর নথি বদলি বা স্থানান্তর করা হয়েছে।

সাত করবর্ষে দেখানো সম্পদ বেড়েছে ৫ গুণ

এনবিআরের প্রতিবেদন বলছে, জিয়াউল আহসানের ২০১৭-১৮ থেকে ২০২৩-২৪ করবর্ষ পর্যন্ত অর্থাৎ সাত করবর্ষে রিটার্নে দেখানো আয়, প্রদর্শিত সম্পদ ও করের পরিমাণ পাওয়া গেলেও বেশিরভাগ রিটার্ন পাওয়া যায়নি। আর রিটার্নে নামমাত্র সম্পদ দেখানো হয়েছে। আর এই নামমাত্র দেখানো সম্পদও প্রতিবছর যেন লাফিয়ে বেড়েছে। এই সাত করবর্ষে সম্পদ বেড়েছে ৩৮৬ শতাংশ। যদিও দুদকের অনুসন্ধানে পাওয়া সম্পদের সিকি ভাগও রিটার্নে দেখানো হয়নি। ২০১৭-১৮ করবর্ষে জিয়াউল আহসান রিটার্নে যে সম্পদ দেখিয়েছেন ৩ কোটি ৭৮ লাখ ১৫ হাজার ৭২০ টাকা, তা ২০২৩–২৪ করবর্ষে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ কোটি ৩৬ লাখ ৯৯ হাজার ৮৫৯ টাকা। অর্থাৎ এই সময়ের মধ্যে সম্পদ বেড়েছে প্রায় ১৪ কোটি ৫৮ লাখ ৮৪ হাজার ১৩৯ টাকা বা প্রায় ৪ দশমিক ৮৬ গুণ বা ৩৮৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

আয়কর নথির তথ্য অনুযায়ী, জিয়াউল আহসান ২০১৭-১৮ করবর্ষে আয় দেখিয়েছে মাত্র ১৫ লাখ ৭৯ হাজার ২৭১ টাকা। আর সম্পদ দেখিয়েছে ৩ কোটি ৭৮ লাখ ১৫ হাজার ৭২০ টাকা। কর দিয়েছেন ১৭ লাখ ৪৬ হাজার ২৯২ টাকা। একইভাবে ২০১৮-১৯ করবর্ষে ১ কোটি ৫৬ লাখ ৬৫ হাজার ৬৫৪ টাকা আয়, ৬ কোটি ২৩ লাখ ৬৬ হাজার ৯৯৩ টাকার সম্পদ দেখিয়ে কর দিয়েছেন ১৩ লাখ ৫২ হাজার ২৯ টাকা। অর্থাৎ করবর্ষ ঘুরতে না ঘুরতে বিতর্কিত এই কর্মকর্তার আয় প্রায় ১০ গুণ ও সম্পদ প্রায় ১ দশমিক ৬৫ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। কর করেছে ২২ দশমিক ৬ শতাংশ। তবে অস্বাভাবিক এই আয় ও সম্পদ বৃদ্ধির বিষয় তদন্ত করতে করদাতার ফাইল পুন:উম্মোচন করা এবং নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এভাবে প্রতি করবর্ষ ঘুরে আর করদাতা সম্পদে ফুলে ফেঁপে উঠেন। ২০১৯-২০ করবর্ষে জিয়াউল আহসান ২ কোটি ৭৬ লাখ ৪৬ হাজার ২১১ টাকা আয়, ৯ কোটি ৮৭ লাখ ২০ হাজার ৭৮৪ টাকা সম্পদ দেখিয়ে ২২ লাখ ৪৩ হাজার ৩১২ টাকা কর দিয়েছেন। এই অস্বাভাবিক আয় ও সম্পদ তদন্ত করতে করফাইল পুন:উম্মোচন করা হয়েছে। আবার ২০২০-২১ করবর্ষে ১ কোটি ৬৭ লাখ ৪৮ হাজার ৫৭০ টাকা আয়, ১২ কোটি ৩৫ লাখ ৩০ হাজার ৯০৪ টাকা সম্পদ দেখিয়ে ১৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪৪ টাকা কর দিয়েছেন। ২০২১-২২ করবর্ষে এই করদাতার আয় হঠাৎ কোটির ঘর থেকে লাখে নেমে আসলেও সম্পদ বেড়ে যায়। ওই করবর্ষে ২৬ লাখ ৮৭ হাজার ৭০ টাকা আয়, ১৩ কোটি ৯৫ লাখ ৯৮ হাজার ৬৬৫ টাকা সম্পদ দেখিয়ে কর দিয়েছেন ৬ লাখ ৫২ হাজার ১৩ টাকা। ২০২২-২৩ করবর্ষে ৮৪ লাখ ৭ হাজার ৯৬৩ টাকা আয়, ১৫ কোটি ৮১ লাখ ৭৮ হাজার ৬৬৯ টাকা সম্পদ দেখিয়ে ৮ লাখ ১৪ হাজার ২৩৬ টাকা কর দিয়েছেণ। সর্বশেষ ২০২৩-২৪ করবর্ষে এই করদাতা ৬৯ লাখ ৮৩ হাজার ৪৬৯ টাকা আয়, ১৮ কোটি ৩৬ লাখ ৯৯ হাজার ৮৯৫ টাকা সম্পদ দেখিয়ে কর দিয়েছেন ৬ লাখ ৫৪ হাজার ৯২৮ টাকা। ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ করবর্ষে কোন রিটার্ন দেননি জিয়াউল।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে আয়কর বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, সম্পদ হু হু করে বেড়েছে। এই সম্পদ কিভাবে বেড়েছে, আয় সঠিকভাবে প্রমাণসহ দেখানো হয়েছে কিনা-তা তদন্ত করা হচ্ছে। তবে ক্ষমতার প্রভাবের কারণে সম্পদ নিয়ে তদন্ত করতে পারেনি কর অফিস। দেশে থাকা অনেক সম্পদ করফাইলে দেখানো হয়নি। বিদেশের কোন সম্পদও দেখানো হয়নি। কর অফিস সবগুলো তদন্ত করছে।

৩ ফ্ল্যাট ৫ বাড়ি ও ১০০ বিঘা জমি জব্দ

দুদক সূত্রমতে, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের নামে থাকা তিনটি ফ্ল্যাট, পাঁচটি বাড়ি ও প্রায় ১০০ বিঘা জমি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে নয়টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ১ কোটি ২৮ লাখ ৯০ হাজার ৫১১ টাকা অবরুদ্ধের আদেশ দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. জাকির হোসেন গালিব এ আদেশ দেন। জব্দ হওয়া সম্পদের মধ্যে মিরপুর ডিওএইচএসের ১৪৬০ ও ২১১০ বর্গফুটের দুটি ফ্ল্যাট, উত্তরায় ২৬০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট, বরিশালের কোতওয়ালী থানার পৈত্রিক সম্পত্তিতে নির্মিত আটতলা নতুন বাড়ি, একই জেলার সদর থানায় বাগানবাড়ি, পুকুরসহ বাড়ি ও ১২৭০ বর্গফুটের একতলা পুরাতন বাড়ি, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ৮ শতাংশ জমিতে নির্মিত ৮ তলা ভবন রয়েছে। দুদকের উপ-পরিচালক রেজাউল করিম জব্দ ও অবরুদ্ধ চেয়ে আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত এই আদেশ দেন।

দেশে সম্পদ থাকলেও আয়কর ফাইলে নেই, দুদকের মামলা

সূত্রমতে, ঘুষ, দুর্নীতির মাধ্যমে প্রায় ৪০ কোটি ৮৭ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ৩৪২ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগে জিয়াউল আহসান ও তার স্ত্রী নুসরাত জাহানের বিরুদ্ধে পৃথক দুইটি মামলা করেছে দুদক। চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি এই মামলা করা হয়েছে। তবে এই সম্পদের বেশিরভাগ আয়কর ফাইলে দেখানো হয়নি। দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, জিয়াউল আহসান মোট ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। তার নামে আটটি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন হয়েছে। স্বামীর সঙ্গে যোগসাজশ করে স্ত্রী নুসরাত জাহান ১৮ কোটি ৫৯ লাখ ৩১ হাজার ৩৫৮ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। তার নামে চারটি ব্যাংক হিসাবে ২২২ কোটি ৫০ লাখ টাকা অস্বাভাবিক লেনদেন হয়েছে।

দুদক সূত্রমতে, জিয়াউল আহসানের স্পেস ইনোভেশন লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠানের একটি ব্যাংক হিসাবে ২৭ কোটি ১০ লাখ টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া এআই ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড এবং এআই ল্যান্ডস্কেপ লিমিডেট নামের দুটি প্রতিষ্ঠানের নামে ২৫ কোটি টাকা অস্বাভাবিক লেনদেন করা হয়েছে। জিয়াউল আহসানের ঢাকায় একটি আটতলা বাড়িসহ পাঁচটি বাড়ি, একটি বাগানবাড়ি, তিনটি ফ্ল্যাট ও ৩ হাজার ৩৩ দশমিক ৫১ শতাংশ জমি রয়েছে। এ ছাড়া দুটি জিপ গাড়ি, শেয়ারবাজারে পাঁচ কোটি টাকা বিনিয়োগ, এক কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র ও সীমা লঙ্ঘন করে ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার ব্যাংক হিসাবে জমা করা হয়েছে। স্ত্রীর নামে ১৬৪ দশমিক ৯১ শতাংশের প্লট, ৫০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করা হয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে স্বামী-স্ত্রী এসব সম্পদের মালিক হয়েছেন। জিয়াউল আহসান ও নুসরাত জাহানের প্রতিষ্ঠান সাজগোজ লিমিটেড। এই প্রতিষ্ঠানের তিনজন পরিচালক তাদের মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ১৬ ব্যাংকের ৮২টি হিসাবে গত বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩৯১ কোটি ২৭ লাখ টাকা জমা ও ৩৯০ কোটি ৩৬ লাখ টাকা উত্তোলন করেছেন। নুসরাত জাহানের ব্যাংক হিসাব থেকে জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের ব্যাংক হিসাবে ৯১ লাখ ৭২ হাজার ৯১৫ টাকা ও আর্মি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ব্যাংক হিসাবে ৩৭ লাখ ৮৪ হাজার ৮৪৫ টাকা স্থানান্তর করা হয়েছে।

বিদেশে সম্পদ, আয়কর ফাইলে নেই

দুদক সূত্রমতে, জিয়াউল আহসান অ্যান্টিগা অ্যান্ড বারবুডার নাগরিকত্ব নিয়ে বিপুল অর্থ অবৈধভাবে বিনিয়োগ করেছেন। তিনি দুবাই, মালয়েশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে বিপুল টাকা পাচার করেছেন। এ ছাড়া তার দেশে–বিদেশে বিপুল সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। ২০১৭ সালে জিয়াউল আহসান অ্যান্টিগা অ্যান্ড বারবুডার নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন বলে জানিয়েছে দুদক। ওই দেশের নাগরিকত্ব নেওয়ার সময় জিয়াউল আহসান ও তার পরিবার দুই লাখ মার্কিন ডলার মালয়েশিয়ার দুটি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে পরিশোধ করেন। এ ছাড়া জিয়াউল আহসান অ্যান্টিগা অ্যান্ড বারবুডার পাঁচ বছর মেয়াদি বন্ডে প্রায় ১৩ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার অবৈধভাবে বিনিয়োগ করেছেন। জিয়াউল আহসান দুবাইয়ের ফাস্ট আবুধাবি ব্যাংক নামের একটি ব্যাংকের হিসাবে ২০ কোটি টাকা ও আরেকটি ব্যাংক হিসাবে ৭৫ কোটি টাকা পাচার করেছেন। এ ছাড়া মালয়েশিয়ার একটি ব্যাংক হিসাবে ৭৫ কোটি টাকা ও যুক্তরাষ্ট্রের একটি ব্যাংক হিসাবে বিপুল টাকা পাচারের তথ্য পাওয়া গেছে।

** জিয়াউল আহসানের হিসাবে ১২০ কোটি টাকার লেনদেন