নতুন অর্থবছরে অপরিবর্তিত থাকছে রপ্তানি প্রণোদনা

নতুন ২০২৬–২৭ অর্থবছরে রপ্তানিখাতে নগদ সহায়তা আগের মতোই ৪৩টি খাতে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। প্রণোদনার হারও ২০২৫–২৬ অর্থবছরের মতো একই রয়েছে। এ বিষয়ে রোববার একটি সার্কুলার জারি করে তা বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী সব ব্যাংকের প্রধানদের কাছে পাঠানো হয়েছে। সার্কুলারে জানানো হয়, নির্ধারিত ৪৩টি রপ্তানি পণ্যে দশমিক ৩০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত হারে নগদ প্রণোদনা দেওয়া হবে। পণ্যভিত্তিক এ হার আগের অর্থবছরের মতোই বহাল থাকছে, যা নীতিগত ধারাবাহিকতারই প্রতিফলন। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রপ্তানি আয় দেশে ফেরত আনা, বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত বিদ্যমান বিধি অনুসরণ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এ প্রণোদনা প্রদান করা হবে বলে সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখযোগ্য প্রণোদনার হার

দেশি বস্ত্র ব্যবহার করে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিকল্প নগদ সহায়তা ১.৫০ শতাংশ।

** ইউরো অঞ্চলে রপ্তানিকারকদের জন্য অতিরিক্ত বিশেষ সহায়তা ০.৫০ শতাংশ।

** তৈরি পোশাক খাতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য অতিরিক্ত সহায়তা ৩ শতাংশ।

** নতুন বাজারে (যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়া) রপ্তানিতে ২ শতাংশ।

** তৈরি পোশাক খাতে বিশেষ নগদ সহায়তা ০.৩০ শতাংশ।

** বৈচিত্র্যপূর্ণ পাটপণ্য রপ্তানিতে ১০ শতাংশ, পাটজাত চূড়ান্ত পণ্যে ৫ শতাংশ এবং পাট সুতা (ইয়ার্ন ও টোয়াইন) রপ্তানিতে ৩ শতাংশ।

** চামড়াজাত পণ্যে ১০ শতাংশ এবং হস্তশিল্পে ৬ শতাংশ প্রণোদনা বহাল রাখা হয়েছে।

** কৃষিপণ্য, আলু, হাড়া ও কাঁকড়াসহ বিভিন্ন কৃষি ও মৎস্যজাত পণ্যে ১০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ সহায়তা দেওয়া হবে।

** জাহাজ রপ্তানিতে ৬ শতাংশ এবং পার্টিকেল বোর্ডে ৮ শতাংশ প্রণোদনা থাকবে।

** আসবাবপত্র, প্লাস্টিক, কাগজ, সিরামিক, রেজর, মোটরসাইকেল, ফার্মাসিউটিক্যালস, তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি ও আইটিইএস), মেডিক্যাল যন্ত্রপাতি, সোলার ফটোভোল্টাইক মডিউল, কেবল, গ্যালভানাইজড স্টিল শিটসহ বিভিন্ন শিল্পপণ্যে ৫ থেকে ৮ শতাংশ পর্যন্ত প্রণোদনা নির্ধারণ করা হয়েছে।

** সফটওয়্যার, আইটিইএস ও হার্ডওয়্যার রপ্তানিতে ৬ শতাংশ এবং ব্যক্তি পর্যায়ের ফ্রিল্যান্সারদের রপ্তানি আয়ে ২.৫০ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হবে।