এনআইডির বয়স সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তি হবে মাঠ পর্যায়েই

অনলাইনে যাচাইযোগ্য শিক্ষা সনদের ভিত্তিতে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন মাঠ পর্যায়েই নিষ্পত্তির সুযোগ দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার ইসির এনআইডি অনুবিভাগ থেকে জারি করা এক পরিপত্রে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গত ২১ জুলাই কমিশন সভা শেষে ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেছিলেন, মাঠ পর্যায়ে জন্ম তারিখ সংশোধনের একটা বিষয় আমরা এনআইডিতে সেন্ট্রালি করে থাকি। এখন এসএসসি, জেএসসি, পিএসসির পাবলিক এক্সাম সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে মাঠ পর্যায়ে এই সংশোধনগুলো করতে পারব। সেই ডেলিগেশনটা মাঠ পর্যায়ে দেওয়া হবে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, অনলাইনে যাচাইযোগ্য জেএসসি, মাধ্যমিক বা সমমানের শিক্ষা সনদের ভিত্তিতে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন ‘ক’ ক্যাটাগরিভুক্ত হিসেবে মাঠপর্যায়ের সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন কর্মকর্তা, সিনিয়র জেলা/জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এবং এনআইডি উইংয়ের সহকারী পরিচালক, উপপরিচালক ও পরিচালকরা নিষ্পত্তি করতে পারবেন। তবে শিক্ষা সনদের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অন্যান্য প্রমাণ বা দলিল গ্রহণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুসরণ করতে হবে। এছাড়া সংশোধনের আবেদন ইলেকট্রনিকভাবে অনুমোদন বা বাতিলের ক্ষেত্রে কেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (CMS) আবশ্যিকভাবে নোট দিতে হবে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা তাদের অধীন কর্মকর্তাদের সম্পন্ন করা কাজ মনিটর করবেন। এ ক্ষেত্রে দ্বৈবচয়নের ভিত্তিতে প্রতি মাসে প্রত্যেক নিষ্পত্তিকারী কর্মকর্তার ন্যূনতম তিনটি আবেদন যথাযথভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে কি না, তা যাচাই করতে হবে। এ জন্য সংযুক্ত ছক অনুযায়ী প্রতিবেদন প্রস্তুত করে পরিচালক (অপারেশন্স)-এর ইন্টারনাল অ্যাকাউন্টে পাঠাতে হবে।

ইসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ অনুসারে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন এবং জন্মতারিখসহ নিজ নাম ও পিতা-মাতার নামের সম্পূর্ণ পরিবর্তন সংক্রান্ত আবেদন মহাপরিচালক পর্যায়ে নিষ্পত্তি করতে হবে। এছাড়া জন্মতারিখ, নিজ নাম এবং পিতা-মাতার নামের সম্পূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে একই ফিল্ডে দ্বিতীয়বার সংশোধন করা যাবে না। পরিপত্রে এসব নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।