ঘোষণায় ‘শোপিস’ উল্লেখ থাকলেও কায়িক পরীক্ষায় ভিন্ন চিত্র পাওয়া গেছে—গ্লাস মার্বেল, মোবাইল স্ক্রিন, হটপট, মোজা ও বোতলসহ নানা পণ্য জব্দ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অভিযানে এ অনিয়ম ধরা পড়ে এবং অতিরিক্ত শুল্ক-কর, অর্থদণ্ড ও বিমোচন জরিমানাসহ মোট ৭১ লাখ ৭২ হাজার ৬০৬ টাকা ২২ পয়সার বিচারাদেশ জারি করা হয়। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সংস্থাটির চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমদানিকারক সুলতানা করপোরেশনের সি-১০৪৭৫০১ নম্বর বিল অব এন্ট্রির আওতায় আমদানি করা পণ্য চালানটি কায়িকভাবে পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় দেখা যায়, আমদানিকারক ঘোষণাপত্রে দুই হাজার ৮২৭ কেজি ‘শোপিস’ আমদানির কথা উল্লেখ করলেও ওই পণ্য পাওয়া যায়নি। পরিবর্তে ঘোষণাবহির্ভূত চার হাজার ৭শ কেজি গ্লাস মার্বেল, ৫৮৮ কেজি মোবাইল স্ক্রিন, ২৯৫ কেজি হটপট, ৩৭২ কেজি বোতল, ১৩০ কেজি মোজা, ২৮ কেজি চামচ ও ১৭ কেজি ফিডিং ভেস্ট পাওয়া যায়।
ঘোষিত ওজনের তুলনায় অতিরিক্ত ৩ হাজার ৩০৩ কেজি পণ্য পাওয়া গেছে, যা ঘোষিত নিট ওজনের চেয়ে প্রায় ১১৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেশি। এ ঘটনায় অতিরিক্ত শুল্ক-কর হিসেবে ২৩ লাখ ৭২ হাজার ৬০৬ টাকা ২২ পয়সা, ৪০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং ৮ লাখ টাকা বিমোচন জরিমানাসহ মোট ৭১ লাখ ৭২ হাজার ৬০৬ টাকা ২২ পয়সার বিচারাদেশ জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। তবে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, আমদানিকারক এখনো এসব শুল্ক-কর ও আরোপিত অর্থ পরিশোধ করেননি।
