অবৈধ রেয়াত, বিক্রয় গোপন ও কেনাকাটায় ভ্যাট দেয়নি নিউজিল্যান্ড ডেইরি

ভ্যাট ফাঁকি ১৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা

** দুই বছর প্রতিষ্ঠানের ব্যয় বা কেনাকাটার উপর প্রায় ১৪ কোটি ২৬ লাখ টাকা উৎসে কর কর্তন করা হয়নি
** সহগে ঘোষিত নই, এমন পণ্যের উপর অবৈধভাবে রেয়াত নেয়া হয়েছে
** ফার্মল্যান্ড আটা, ময়দা, সুজি তৈরি করে এক প্রতিষ্ঠান, সরবরাহ করে নিউজিল্যান্ড ডেইরি, কিন্তু ব্যবসায়ী পর্যায়ে ভ্যাট দেয় না
** পণ্য বিক্রির সঠিক তথ্য ভ্যাট রিটার্নে দেখানো হয়নি, এছাড়া বেশ কিছু আয়ের ক্ষেত্রে ভ্যাট পরিশোধ করা হয়নি

সহগে ঘোষিত নয়-এমন পণ্যের বিপরীতে অবৈধভাবে নেয় কর রেয়াত। ফার্মল্যান্ড আটা, ময়দা, সুজি, শেফস চয়েস সরিষার তেল ভ্যাট অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য। এসব পণ্য তৈরি করে এক কোম্পানি, কোনরূপ পরিবর্তন ছাড়াই বাজারে বিক্রি বা সরবরাহ করে। কিন্তু ব্যবসায়ী পর্যায়ে কোন প্রকার ভ্যাট দেয়নি। অব্যাহতিপ্রাপ্ত সেবার বিপরীতে অবৈধ রেয়াত নেয়া হয়েছে। ডেটস চিকেন ও প্রপার কোকোনাট উৎপাদনে অতিরিক্ত কাঁচামাল ব্যবহার করে অতিরিক্ত উৎপাদন ও সরবরাহ করলেও তার উপর ভ্যাট দেয়নি। প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সেবার ক্রয়ের বিপরীতে সঠিকভাবে উৎসে মূসক কর্তন করা হয়নি। এছাড়া বিক্রির তথ্য সঠিকভাবে রিটার্নে দেখানো হয়নি এবং আয় গোপন করা হয়েছে। বহুজাতিক কোম্পানি নিউজিল্যান্ড ডেইরি প্রোডাক্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের বিরুদ্ধে অবৈধ রেয়াত ও ভ্যাট ফাঁকির এমন অভিযোগ উঠেছে। নিরীক্ষায় দেশের দুগ্ধজাত, স্ন্যাক্স, নুডলস ও কনফেকশনারি খাতে ব্যবসা করা এই প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ১৯ কোটি ৭১ লাখ টাকার অনিয়ম উঠে এসেছে। এনবিআরের আওতাধীন বৃহৎ করদাতা ইউনিট (এলটিইউ) পরিহার করা এই রাজস্ব আদায়ে ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানকে দাবিনামা সম্বলিত কারণ দর্শানো নোটিশ জারি করেছে। এনবিআর সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

সূত্রমতে, ১৯৯২ সালে এটি নিউজিল্যান্ডের দুগ্ধখাতের বিখ্যাত সমবায় প্রতিষ্ঠান ‘ফনটেরা’ এর ফ্র্যাঞ্চাইজি বা অপারেটিং পার্টনার হিসেবে বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করে নিউজিল্যান্ড ডেইরি। এলটিইউ এর আওতাধীন প্রতিষ্ঠানটির অনিয়ম খতিয়ে দেখতে ২০২৫ সালের ২৮ অক্টোবর নিরীক্ষা দল গঠন করা হয়। নিরীক্ষা দল প্রতিষ্ঠানটির ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরের (২০২২ সালের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত) সিএ রিপোর্ট, দাখিলপত্র ও ভ্যাট সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র যাচাই শেষে চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল প্রতিবেদন জমা দেয়। যাতে প্রায় ১৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা অবৈধ রেয়াত নেয়া ও ভ্যাট ফাঁকি উঠে আসে। প্রতিবেদন অনুযায়ী সম্প্রতি নিউজিল্যান্ড ডেইরিকে দাবিনামা সম্বলিত কারণ দর্শানো নোটিশ জারি করা হয়েছে।

সহজে ঘোষিত নই-এমন পণ্যে অবৈধ রেয়াত গ্রহণ

প্রতিবেদনে অনুযায়ী, ২০২২ সালের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত নিউজিল্যান্ড ডেইরির দাখিলত্র বা ভ্যাট রিটার্নে দেখানো স্থানীয় ক্রয়চালান যাচাইয়ে দেখা গেছে, মূসক আইন, ২০১২ অনুযায়ী উপকরণ-উৎপাদ সহগে ঘোষিত নই-এমন উপকরণ বা পণ্যের বিপরীতে পরিশোধিত উপকরণ কর রেয়াত নিয়েছে নিউজিল্যান্ড ডেইরি। এমনকি কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে উপকরণ নয়, এরপরও উপকরণ দেখিয়ে অবৈধভাবে রেয়াত নেয়া হয়েছে। ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছর প্রতিষ্ঠানটি গাজী মাল্টিপারপাস বাসকেট, সানফ্লাওয়ার অয়েল, প্লাস্টিক হ্যাঙ্গার, মার্জারিন (মাখনের বিকল্প খাদ্য চর্বি), ক্লক ডিসপ্লে বোর্ডে অবৈধভাবে ৪ লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৮ টাকা রেয়াত গ্রহণ করেছে। এছাড়া আমদানির ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠানটি একইভাবে অবৈধ রেয়াত গ্রহণ করেছে। আমদানি বিল অব এন্ট্রি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি ২০২২-২৩ ও ২০২৩ অর্থবছর আমদানি করা প্রেসার সুইচ, মেটাল ডিটেক্টর, সি-ফাস্ট ফ্ল্যাশ মেমোরি কার্ড, সকেট, ফিউজ, রিলে, অ্যাডাপ্টার প্লেট, প্যানেল পিসি ডিসপ্লে, টাচ প্যানেল কম্পিউটার, জেনিস অ্যান্ড ক্লাস প্যানেল, টাচ প্যানেল কম্পিউটার, এসডি কার্ড, পাওয়ার ক্যাবল, ডিজিটাল ফাইবার সেন্সর, অপটিক ফাইবার ক্যাবল প্যাড কনটার্ড ব্রেক ইত্যাদি পণ্যে অবৈধভাবে ৬ লাখ ৫৫ হাজার ৪৭১ টাকা রেয়াত গ্রহণ করেছে। অথচ আমদানি করা এসব পণ্য সহজে ঘোষিত নই এবং কিছু পণ্য উপকরণ নয়।

ফার্মল্যান্ড আটা, ময়দা, সুজি ও শেফস চয়েস সরিষার তেলে ভ্যাট দেয়নি

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আটা, ময়দা, সুজি ও সরিষার তেল ভ্যাট অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য। নাটোরের চকরামপুর এলাকায় ক্রিস্টাল গ্রেইনস লিমিটেড নামে নিউজিল্যান্ড ডেইরির একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানে ফার্মল্যান্ড ব্র্যান্ডের আটা, ময়দা, সুজি ও শেফস চয়েস নামের সরিষার তেল উৎপাদন করা হয়। ক্রিস্টাল গ্রেইনস লিমিটেড এলটিইউতে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান নয়। এই প্রতিষ্ঠানে উৎপাদিত পণ্যের বর্ণনা অনুযায়ী, ক্রিস্টাল গ্রেইনস লিমিটেড এসব পণ্য উৎপাদন ও মোড়কজাত করে। নিউজিল্যান্ড ডেইরি ক্রয়চালানের মাধ্যমে ক্রিস্টাল থেকে এসব পণ্য প্যাকেটজাত অবস্থায় ক্রয় করে কোন প্রকার আকৃতি, প্রকৃতি বা গুণগত পরিবর্তন না করেই স্থানীয় পর্যায়ে সরবরাহ বা বিক্রি করে। এনবিআরের আদেশ অনুযায়ী, আটা, ময়দা, সুজি ও সরিষার তেল ইত্যাদি পণ্যকে ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া আছে। কিন্তু নিউজিল্যান্ড ডেইরি এসব পণ্য উৎপাদন না করে উৎপাদক না হয়েও অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য হিসেবে বাজারজাত করার সুযোগ নেই। বাজারজাতকারী হিসেবে ব্যবসায়ী পর্যায়ে নিউজিল্যান্ড ডেইরিকে ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট দিতে হবে, যা প্রতিষ্ঠান দেয়নি। সে অনুসারে ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছর নিউজিল্যান্ড ডেইরি ১০ কোটি ৩১ লাখ ৭৯ হাজার ৮১৪ টাকার এসব পণ্য সরবরাহ করেছে, যার বিপরীতে ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৯৯০ টাকা ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে।

অপরদিকে, প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট রিটার্ন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি রপ্তানি, আর্দশহার ও অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য সরবরাহ করে। যার মধ্যে রয়েছে-ইন্টারনেট আইটি, সিকিউরিটি সার্ভিস, ইন্সুরেন্স, আদার সার্ভিস, পেস্ট কন্ট্রোল সার্ভিস, আইপি ফোন, ল্যাব টেস্টিং, অ্যাডভারটাইসমেন্ট, পোস্ট পেইড সার্ভিস, অডিট ফি ইত্যাদি। মূসক আইনে সকল সরবরাহের বিপরীতে উপকরণ-উৎপাদ সহগ ঘোষণা বাধ্যতামূলক। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির কোন মূসক ৪.৩-তে (উপকরণ-উৎপাদ সহগ) মূসক অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্যের সরবরাহ উল্লেখ করেনি। প্রতিষ্ঠানটি সুকৌশলে শুধুমাত্র মূল উপকরণ ব্যতীত অন্য কোনো উপকরণ ব্যবহার দেখায়নি এবং সংযোজন খাতে কোন পণ্য বা সেবা প্রদর্শন করেনি। তবে সংযোজন ব্যতীত কোন পণ্য বাজারজাত সম্ভব নয়। প্রতিষ্ঠানটি এসব সেবার উপর ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছর ৯ লাখ ৭৩ হাজার ৪৭৭ টাকা অবৈধ রেয়াত গ্রহণ করেছে।

ডেটস চিকেন ও প্রপার কোকোনাটে অতিরিক্ত কাঁচামাল ব্যবহার না দেখিয়ে ভ্যাট ফাঁকি

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিউজিল্যান্ড ডেইরি ডেটস চিকেন ও প্রপার কোকোনাট-এই দুইটি পণ্যের প্রধান উপকরণ কর্ণ গ্রিটস ও হোল কর্ণ। এই দুইটি পণ্যের অতিরিক্ত কাঁচামাল ব্যবহার করে পণ্য বাজারজাত করা হলেও অতিরিক্ত অংশ ভ্যাট রিটার্নে দেখানো হয়নি। ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছর এই দুইটি পণ্যের উপর ৭৫ লাখ ৩৯ হাজার ২০৯ টাকা ভ্যাট পরিশোধ করা হয়নি। এছাড়া অনিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে পণ্য বা সেবা ক্রয়ের বিপরীতে সাড়ে ৭ শতাংশ হারে এই দুই বছর ১৯ লাখ ১৭ হাজার ১৯৪ টাকা ভ্যাট পরিশোধ করেনি নিউজিল্যান্ড ডেইরি। প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট রিটার্ন অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠান এই দুই অর্থবছর ৩ কোটি ৫৯ লাখ ৩৪ হাজার ১৭৫ টাকা বিক্রয় গোপন করেছে, যাতে পরিহারকৃত ভ্যাট ৪৬ লাখ ৮৭ হাজার ৬৬ টাকা। প্যাকেজিং ম্যাটেরিয়ালের উপর ১ লাখ ৩ হাজার ৪৮৩ টাকা কম ভ্যাট পরিশোধ করা হয়েছে। এছাড়া সিএ রিপোর্ট অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য আয়ের উপর ৩ কোটি ২৯ লাখ ৮২ হাজার ৫৯২ টাকা ভ্যাট পরিশোধ করা হয়নি।

ব্যয় বা কেনাকাটার উপর ১৪ কোটি টাকার উৎসে ভ্যাট ফাঁকি

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিউজিল্যান্ড ডেইরি একটি লিমিটেড প্রতিষ্ঠান। মূসক বিধিমালা অনুযায়ী লিমিটেড প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিউজিল্যান্ড একটি উৎসে কর্তনকারী সত্ত্বা। প্রতিষ্ঠানটির সিএ রিপোর্টে দেখা গেছে, অনেক সেবা বা ব্যয়ের ক্ষেত্রে উৎসে মূসক কর্তন করা হয়নি। প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ নিরীক্ষা দলকে জানিয়েছে, বিভিন্ন সেবা খাতের বিপরীতে প্রদর্শিত ব্যয়ের মধ্যে মূসক অন্তভূর্ক্ত রয়েছে। তবে অনেক খাতে মূসক কর্তন করে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়নি। নিরীক্ষায় দেখা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছর ব্যয় বা সেবার ক্ষেত্রে কর্তনযোগ্য উৎসে মূসক ২১ কোটি ১৭ লাখ ৯৭ হাজার ৩০৫ টাকা। যার মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি ৬ কোটি ৯১ লাখ ৪০ হাজার ৬৯ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছে। বাকি ১৪ কোটি ২৬ লাখ ৫৭ হাজার ২৩৬ টাকা পরিশোধ করা হয়নি।

মোট ভ্যাট ফাঁকি ১৯ কোটি ৭১ লাখ ৮ হাজার ৪৮৯ টাকা

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইন ও বিধি-বর্হিভূতভাবে স্থানীয় ক্রয়ে অবৈধ রেয়াত ৪ লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৮ টাকা, আমদানি পর্যায়ে অবৈধ রেয়াত ৬ লাখ ৫৫ হাজার ৪৭১ টাকা, ব্যবসায়ী পর্যায়ে সরবরাহের বিপরীতে ভ্যাট ফাঁকি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৯৯০ টাকা, মূসক আরোপযোগ্য ও মূসক আরোপযোগ্য নয়-এমন সরবরাহের বিপরীতে অবৈধ রেয়াত ৯ লাখ ৭৩ হাজার ৪৭৭ টাকা, উপকরণ যাচাইয়ে ভ্যাট ফাঁকি ৭৫ লাখ ৩৯ হাজার ২০৯ টাকা, অনিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান হতে ক্রয়ের বিপরীতে ভ্যাট ফাঁকি ১৯ লাখ ১৭ হাজার ১৯৪ টাকা, সিএ রিপোর্ট অনুযায়ী বিক্রয়ের পার্থক্য অর্থাৎ পণ্য বিক্রি করলেও ভ্যাট দেয়নি ৪৬ লাখ ৮৭ হাজার ৬৬ টাকা, প্যাকেজিং ম্যাটেরিয়াল ক্রয়ে ভ্যাট ফাঁকি ১ লাখ ৩ হাজার ৪৮৩ টাকা, বিভিন্ন ব্যয় বা কেনাকাটার উপর উৎসে মূসক ফাঁকি ১৪ কোটি ২৬ লাখ ৫৭ হাজার ২৩৬ টাকা এবং অন্যান্য আয়ের উপর ভ্যাট ফাঁকি ৩ কোটি ২৯ লাখ ৮২ হাজার ৫৯২ টাকাসহ মোট ভ্যাট ফাঁকি ১৯ কোটি ৭১ লাখ ৮ হাজার ৪৮৯ টাকা।

অপরদিকে, এই বিষয়ে বক্তব্য জানতে নিউজিল্যান্ড ডেইরি প্রোডাক্টস বাংলাদেশ লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সামছুল আলম মল্লিক, এফসিএ এর ব্যক্তিগত নাম্বারে ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি। ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে একাধিকবার বক্তব্যের বিষয় লিখে দেওয়া হলে তিনি সিন করেন, তবে কোন জবাব দেননি।

** রেয়াত-ভ্যাট ফাঁকি দেয় নিউজিল্যান্ড ডেইরি
** ১১ কোটি টাকার আয় গোপন করেছে বহুজাতিক ‘নিউজিল্যান্ড ডেইরি’