পুরনো মালিকানায় ফিরল আল-আরাফাহ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংক আল-আরাফাহ ব্যাংকের পরিচালনার দায়িত্ব আবারও পুরোনো মালিকপক্ষের হাতে ফিরিয়ে দিয়েছে। এ লক্ষ্যে বুধবার নতুন করে ১৪ জন উদ্যোক্তা শেয়ারহোল্ডারকে পরিচালনা পর্ষদে যুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান। ২০২৪ সালের আগস্টের পর পাঁচ সদস্যের স্বতন্ত্র পরিচালকের মাধ্যমে ব্যাংকটির কার্যক্রম চলছিল। নতুন ১৪ জন যুক্ত হওয়ায় পরিচালকের সংখ্যা এখন বেড়ে ১৯ জনে দাঁড়িয়েছে। উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ছিলেন এস আলম গ্রুপের ভাই আব্দুস সামাদ লাবু।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে ১৬টি ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে। এর মধ্যে আল-আরাফাহ ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা আগের চেয়ে উন্নতি হওয়ায় শেয়ারহোল্ডার পরিচালকদের এখানে যুক্ত করা হয়েছে। অন্য যেসব ব্যাংকের বোর্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছে, তাদের উদ্যোক্তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু এ ব্যাংকের ক্ষেত্রে চিত্র ভিন্ন। তাই তাদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

নতুন পর্ষদে কারা আসলেন

নতুন গঠিত ১৪ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদে কেডিএস গ্রুপের তিনজন প্রতিনিধি রয়েছেন। তারা হলেন—গ্রুপটির চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান, কেডিএস গার্মেন্টসের প্রতিনিধি পরিচালক মাহবুব আহমেদ এবং কেডিএস টেক্সটাইলের পক্ষে প্রতিনিধি পরিচালক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। অন্যান্য পরিচালকদের মধ্যে আছেন ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান বদিউর রহমান, সর্বশেষ নির্বাচনে ঢাকা-৭ আসনে জামায়াতের প্রার্থী এনায়েত উল্লা, সেলিম রহমান, আহামেদুল হক, রফিকুল ইসলাম, ইমাদুর রহমান, নাজমুল আহসান খালেদ, আনোয়ার হোসাইন, আবদুস সালাম, লিয়াকত আলী চৌধুরী এবং কেওয়াই স্টিল মিলের প্রতিনিধি পরিচালক শরিফ উদ্দিন তসলিম।

আওয়ামী লীগ পতনের পর আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে খাজা শাহরিয়ারকে স্বতন্ত্র পরিচালক ও পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পর্ষদের অন্য স্বতন্ত্র পরিচালকরা হলেন- মো. শাহীন উল ইসলাম, মো. আব্দুল ওয়াদুদ, এম আবু ইউসুফ ও মোহাম্মদ আশরাফুল হাসান। এসব পরিচালকরাও নতুন পর্ষদে থাকবেন। তবে পর্ষদের সব পরিচালক মিলে এখন আবার নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ করবেন।