নোমান গ্রুপের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

১৯ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ

নোমান গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রায় ১৯ কোটি টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (২৫ আগস্ট) ঢাকার সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ থেকে কমিশনের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ মামলাটি দায়ের করেন। দুদকের জনসংযোগ দপ্তর এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামি নুরুল ইসলাম ১৮ কোটি ৯৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অসাধু উপায়ে অর্জন করেছেন এবং নিজের ভোগদখলে রেখেছেন। দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, নুরুল ইসলামের নামে গুলশান আবাসিক এলাকায় সার্কেল-২, রোড নং-৪৪, ব্লক-সিডব্লিউএন (বি), বাড়ি নং-১৯-এর অর্ধেক অংশ এবং পূর্বাচল নতুন শহর আবাসিক প্রকল্পে সাতটি প্লটসহ স্থাবর সম্পদের মোট মূল্য ২৩ কোটি ৪০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা।

এ ছাড়াও নোমান গ্রুপের চেয়ারম্যানের নামে ডাচ-বাংলা ব্যাংকে শেয়ারের মূল্য ৮ কোটি ৩০ লাখ ৫১ হাজার ৪৫০ টাকা এবং নোমান গ্রুপভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের মূল্য ২৪ কোটি ৯৫ লাখ ৪ হাজার ৫০০ টাকা পাওয়া যায়। এতে তার অস্থাবর সম্পদের মূল্য ৩৮ কোটি ৮১ লাখ ৫ হাজার ৯৬৯ টাকা দাঁড়ায়। ফলে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মোট মূল্য ৬২ কোটি ২১ লাখ ৯৪ হাজার ৪৬৮ টাকা।

২০১৬-১৭ করবর্ষ থেকে ২০২৪-২৫ করবর্ষ পর্যন্ত নোমান গ্রুপের চেয়ারম্যানের মোট গ্রহণযোগ্য নিট সম্পদ ৬২ কোটি ১৮ লাখ ৫৪ হাজার ৪৬৮ টাকা। এর মধ্যে বৈধ উৎসের সম্পদের পরিমাণ ৪৩ কোটি ২০ লাখ ৭৯ হাজার ৪৬৮ টাকা। বাকি ১৮ কোটি ৯৭ লাখ ৭৫ হাজার টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয় বহির্ভূত বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। আসামির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!