গত বছরের তুলনায় তিন গুণ বেশি করদাতা এবার অনলাইনে রিটার্ন জমা দিয়েছেন। নির্ধারিত সময়ে ১৪ লাখ ৩১ হাজার ৩৫৪ জন করদাতা তাদের আয়-ব্যয়ের বিবরণী দিয়ে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করেছেন, যেখানে গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৫ লাখ ১৮ হাজার ৯০১। তবে এ বছর অনলাইনে রিটার্ন দাখিলকারীদের কাছ থেকে কর আদায় হয়েছে মাত্র ১৫৮ কোটি টাকা।জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাময়িক হিসাবে এসব তথ্য জানা গেছে।
কর কর্মকর্তারা জানান, অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়া বেশির ভাগই শূন্য রিটার্ন জমা দিয়েছেন।এ বছর সব মিলিয়ে ৩৯ লাখ ৭৩ হাজার ৭৫৭ জন করদাতা রিটার্ন দিয়েছেন। এনবিআর কর পেয়েছে মাত্র ৩ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা।
তিন দফা সময় বাড়ানোর পর গত রোববার রিটার্ন জমার নির্ধারিত সময় শেষ হয়েছে। এখন জরিমানা দিয়ে রিটার্ন দিতে হবে। গতবারের চেয়ে এবার রিটার্ন জমাকারীর সংখ্যা এক লাখের মতো কমেছে।এখন রিটার্ন জমা দিতে গেলে আরোপিত করের টাকার ওপর ২ শতাংশ হারে সুদ বসবে। আর বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত মিলবে না। কোনো কর অব্যাহতি পাবেন না।
কর দিবসে অপরিশোধিত করের ওপর ২০২৩ সালের আয়কর আইনের ১৭৪ ধারা অনুযায়ী মাসিক ২ শতাংশ হারে অতিরিক্ত কর আরোপ করা হবে। বর্তমানে দেশে ১ কোটি ১১ লাখ কর শনাক্তকরণ নম্বর
(টিআইএন)ধারী থাকলেও প্রতিবছর গড়ে মাত্র ৪০ লাখ রিটার্ন দাখিল করা হয়।
এনবিআরের কর কর্মকর্তাদের মতে, নতুন টিআইএনধারীদের দুই-তৃতীয়াংশই রিটার্ন দাখিল করেন না। গত কয়েক বছরে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সেবা নিতে টিআইএন ও রিটার্ন জমা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যার ফলে অনেকেই শুধু সেবা পাওয়ার উদ্দেশ্যে টিআইএন নিয়েছেন।