Header – After

৪,২৬১ কোটি টাকার রেলপথে নেই পণ্যবাহী ট্রেন

৪,২৬১ কোটি টাকার মোংলা-যশোর রেলপথ থেকে ব্যবসায়ীরা এখনও সুফল পাচ্ছেন না। বর্তমানে পণ্য পরিবহনের জন্য কোনো বগি বা ট্রেন নেই। রেলপথ চালুর পর থেকে শুধুমাত্র ১৫টি ট্রেন মোংলা থেকে চিটাগুড় হয়ে সিরাজগঞ্জ ও জয়পুরহাট পর্যন্ত গেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, যদি নিয়মিত যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি পণ্যবাহী ট্রেন চালু করা হয়, তারা তা থেকে লাভবান হবেন।

২০১০ সালে নেওয়া হয় খুলনা-মোংলা রেলপথ প্রকল্প। পাঁচ দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে কাজ শেষে যাত্রীবাহী ট্রেন চালু হয় ২০২৪ সালে। মোট খরচ ৪ হাজার ২৬১ কোটি টাকা। তবে এই প্রকল্প ব্যবসার প্রসারে কোনো ভূমিকা রাখতে পারছে না।

বাংলাদেশ রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার এস. এস. মনির আহম্মেদ জানান, এই লাইনের মাধ্যমে ভারত, নেপাল ও ভুটানে পণ্য পরিবহনের ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল। বর্তমানে দেশের ভেতরে শুধুমাত্র যাত্রীবাহী ট্রেন চললেও পণ্য পরিবহন হচ্ছে না। রেললাইন চালুর পর মোংলা থেকে চিটাগুড় হয়ে সিরাজগঞ্জ ও জয়পুরহাটে মাত্র ১৫টি ট্রেন গেছে। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিগগিরই মোংলা থেকে পণ্যবাহী ট্রেন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

৯১ কিলোমিটারের এই রেলপথে রূপসা নদীর ওপর নির্মাণ করা হয় সোয়া ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সেতু। এ ছাড়া আছে ১১টি প্ল্যাটফর্ম, ১০৭টি কালভার্ট, ৩১টি ছোট ব্রিজ ও নয়টি আন্ডারপাস।