গৃহস্থালিতে রান্নার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় ১২ কেজির এলপি গ্যাস সিলিন্ডার। গত দুই সপ্তাহ ধরে এলপিজির দাম ধারাবাহিকভাবে বেড়ে চলেছে। তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে ১,২০০ টাকার সিলিন্ডারটি প্রায় ১,৯০০ টাকায়ও পাওয়া যাচ্ছে না। এর ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা।
ভোক্তাদের অভিযোগ, গত সপ্তাহ ধরে গ্যাসের দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে, কিন্তু সরকারিভাবে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এর ফলে বাড়তি চাহিদার সুযোগ নিয়ে ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত মুনাফা আয় করছেন।
অপরদিকে বিক্রেতাদের দাবি, শীতের সময় বিশ্ববাজারে এলপিজির চাহিদা বেড়ে যায়। উৎপাদনও কম হয়। বর্তমানে দেশের বেশিরভাগ কোম্পানি সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। হাতে গোনা কয়েকটি কোম্পানির এলপিজি সরবরাহ করছে। কিন্তু সেসব প্রতিষ্ঠান থেকেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। ফলে বাজারে প্রভাব পড়ছে বলে জানান তারা।
২০২১ সালের এপ্রিল থেকে প্রতি মাসে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানিয়েছেন, জাহাজ সংকটের কারণে গ্যাসের আমদানি ৩০ শতাংশ কমেছে, যার ফলে গ্যাসের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বাড়তি দামের বিষয়টি নজরে আনা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
