Header – After

১০ দেশ থেকে এসেছে রপ্তানি আয়ের ৭০ শতাংশ

দেশের রপ্তানি খাত দীর্ঘদিন ধরে কয়েকটি নির্দিষ্ট দেশের ওপর অতিরিক্তভাবে নির্ভরশীল। এর ফলে খাতটি উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। কারণ বড় কোনো একটি বা দুটি বাজারে সংকট দেখা দিলে সামগ্রিক রপ্তানি কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে সরকারি ও বেসরকারি মহলে তৈরি হওয়া উদ্বেগই তার স্পষ্ট উদাহরণ।

তথ্য-উপাত্তে দেখা যায়, বাজার বৈচিত্র্য নিয়ে বছরের পর বছর আলোচনা হলেও নির্দিষ্ট বাজারের ওপর নির্ভরতা কমেনি; বরং আরও বেড়েছে। এখনও মূলত যুক্তরাষ্ট্র এবং ২৭ জাতির জোট ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ওপরই নিরঙ্কুশভাবে নির্ভরশীল বাংলাদেশ। রপ্তানি আয়ের হিসাবে একক রাষ্ট্র হিসেবে সবসময় যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। এছাড়া ইইউর ছয়টি দেশ এবং যুক্তরাজ্য শীর্ষ ১০ রপ্তানি বাজারের তালিকায় আছে। ইউরোপ ও আমেরিকার বাইরে কানাডা এবং এশিয়ার মধ্যে জাপান বড় বাজার হিসেবে রয়েছে। যদিও দেড় শতাধিক দেশে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি হয়, তবু মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৭০ শতাংশ আসে এসব নির্দিষ্ট বাজার থেকে। সব দেশেই প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বাংলাদেশ যেসব পণ্য বেশি উৎপাদন করে, সেসব পণ্যের চাহিদা যেসব দেশে বেশি, সেখানে রপ্তানি ক্রমেই বাড়ছে। ফলে নির্দিষ্ট পণ্যের ওপর নির্ভরশীলতার কারণে বাজারেও বৈচিত্র্য আনা সম্ভব হচ্ছে না। ইউরোপ ও আমেরিকায় রপ্তানি বৃদ্ধির এটিই প্রধান কারণ। এছাড়া আরেকটি বড় কারণ হলো রপ্তানিকারকদের অভ্যাস। যেসব দেশের ব্র্যান্ড ও ক্রেতাদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে উঠেছে, সেখান থেকে সরে আসতে অনাগ্রহী তারা। উদাহরণস্বরূপ, বিজিএমইএর একজন সাবেক সভাপতির কারখানা প্রতিষ্ঠার পর থেকে টানা ৫০ বছর ধরে কেবল একটি ব্রিটিশ ব্র্যান্ডে পোশাক সরবরাহ করছে। এ ধরনের উদাহরণ রয়েছে অসংখ্য।

রপ্তানিতে নির্দিষ্ট বাজারের ওপর অতিনির্ভরতার ঝুঁকি

বাণিজ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো দেশের বাজারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা এক ধরনের দায়বদ্ধতা তৈরি করে। এর ফলে ওই দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপোড়েন দেখা দিলে রপ্তানি হ্রাস পাওয়ার ঝুঁকি থাকে, এমনকি পুরোপুরি বন্ধও হয়ে যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ এর স্পষ্ট উদাহরণ। একইভাবে, কোনো দেশের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ হলেও একই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তাছাড়া আমদানিকারক দেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অর্থনৈতিক মন্দার কারণেও রপ্তানি কমে যেতে পারে। করোনাভাইরাস মহামারি এ ধরনের বড় ধাক্কার সাম্প্রতিক উদাহরণ, যার প্রভাবে ইউরোপ ও আমেরিকায় অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দেয় এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে স্থানীয়দের ভোগক্ষমতা কমে যায়। এসব কারণেই বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে পণ্য ও বাজার বৈচিত্র্য সৃষ্টির ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছেন।

যুক্তরাষ্ট্র প্রধান গন্তব্য

দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের প্রধান গন্তব্য। কোনো কোনো সময় জার্মানি শীর্ষে উঠলেও সামগ্রিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রই প্রধান অবস্থান ধরে রেখেছে। গত অর্থবছরে দেশটিতে রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৬৯ কোটি ডলার, যা মোট রপ্তানির প্রায় ১৮ শতাংশ। এর আগের অর্থবছরের তুলনায় রপ্তানি বেড়েছে ১৪ শতাংশ; ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ পরিমাণ ছিল ৭৬০ কোটি ডলার।

যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি তালিকায় প্রধান পণ্য তৈরি পোশাক। এর মধ্যে ওভেন পোশাক—শার্ট ও প্যান্ট জাতীয় পণ্যের রপ্তানি হয়েছে ৪৯৫ কোটি ডলার, যা এককভাবে মোট রপ্তানির ২৭ শতাংশ। নিট ক্যাটেগরির পণ্য যেমন গেঞ্জি ও সোয়েটারের রপ্তানি ছিল ২৬০ কোটি ডলার, যার অংশ ১২ শতাংশ। এছাড়া ক্যাপ বা টুপি জাতীয় পণ্য রপ্তানি হয়েছে ২৬ কোটি ডলারের এবং হোম টেক্সটাইল রপ্তানি হয়েছে প্রায় ১৭ কোটি ১৬ লাখ ডলারের।

দ্বিতীয় প্রধান বাজার জার্মানি

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ২৭ দেশের মধ্যে জার্মানি বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম গন্তব্য। গত অর্থবছরে দেশটিতে রপ্তানি হয়েছে ৫২৯ কোটি ডলারের, যা মোট রপ্তানি আয়ের ১০ দশমিক ৯৬ শতাংশ। তবে যুক্তরাষ্ট্রের মতো জার্মানিতে ওভেন পোশাক প্রধান নয়; এখানে বেশি রপ্তানি হয় নিট পোশাক। গত অর্থবছরে নিট ক্যাটেগরির পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৩০৬ কোটি ডলারের, আর ওভেন পোশাকের রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ১৮৯ কোটি ডলারে। এছাড়া হোম টেক্সটাইল, ক্যাপসহ অন্যান্য পণ্যও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে রপ্তানি হয়েছে। সব মিলিয়ে আগের অর্থবছরের তুলনায় জার্মানিতে রপ্তানি বেড়েছে ৯ দশমিক ১১ শতাংশ।

যুক্তরাজ্য তৃতীয় প্রধান গন্তব্য

বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের তৃতীয় প্রধান গন্তব্য যুক্তরাজ্য। ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি দেশটি ইইউ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বের হয়ে যায়, যা ব্রেক্সিট নামে পরিচিত। একক দেশ হিসেবে যুক্তরাজ্যে গত অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি হয়েছে ৪৬২ কোটি ২৭ লাখ ডলার, যা মোট রপ্তানি আয়ের ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ। অন্য দেশের মতো এখানেও প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক। এর মধ্যে নিট ক্যাটেগরির পোশাক রপ্তানি হয়েছে প্রায় ২৬৬ কোটি ডলারের এবং ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১৬৯ কোটি ডলারের। পোশাকের বাইরে উল্লেখযোগ্য রপ্তানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে বাইসাইকেল ও হোম টেক্সটাইল। সামগ্রিকভাবে আগের অর্থবছরের তুলনায় যুক্তরাজ্যে রপ্তানি বেড়েছে ৩ দশমিক ২৩ শতাংশ। আগের অর্থবছরে রপ্তানি ছিল প্রায় ৪৪৮ কোটি ডলার।

স্পেনের অবস্থান চতুর্থ

বাংলাদেশের চতুর্থ শীর্ষ রপ্তানি বাজার হলো স্পেন। গত অর্থবছরে দেশটিতে রপ্তানির আয় দাঁড়িয়েছে ৩৫৫ কোটি ৪৭ লাখ ডলারের বেশি, যা মোট রপ্তানি আয়ের ৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ। স্পেনে নিটওয়্যার পণ্যের চাহিদা তুলনামূলকভাবে বেশি। এ খাতে রপ্তানি আয় হয়েছে প্রায় ১৯৫ কোটি ডলার। ওভেন পোশাক থেকে আয় দাঁড়িয়েছে ১৪৫ কোটি ডলার এবং হোম টেক্সটাইল থেকে প্রায় ৪ কোটি ডলার। এছাড়া চামড়া, চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকাও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে রপ্তানি হয়েছে। আগের অর্থবছরের তুলনায় গত অর্থবছরে স্পেনে রপ্তানি বেড়েছে ২ দশমিক ৩২ শতাংশ। ওই সময় রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৩৪৭ কোটি ডলার।

ইইউভুক্ত অপর দেশ ফ্রান্স বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের পঞ্চম শীর্ষ বাজার। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশটিতে রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৪২ কোটি ডলার, যা মোট রপ্তানি আয়ের ৫ শতাংশ। ফ্রান্সে প্রধান রপ্তানি পণ্যও নিটওয়্যার, যেখানে গত অর্থবছরে আয় হয়েছে প্রায় ১৩২ কোটি ডলার। ওভেন পোশাক থেকে এসেছে ৪৩ কোটি ৪৯ লাখ ডলার। পোশাকবহির্ভূত পণ্যের মধ্যে হোম টেক্সটাইল রপ্তানি হয়েছে প্রায় ৯ কোটি ডলার এবং ফুটওয়্যার বা পাদুকা থেকে আয় হয়েছে প্রায় ১২ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের তুলনায় গত অর্থবছরে ফ্রান্সে রপ্তানি বেড়েছে ৫ দশমিক ৯১ শতাংশ। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রপ্তানি ছিল ২২৮ কোটি ডলার।

নেদারল্যান্ডস ষষ্ঠ

নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশের ষষ্ঠ প্রধান রপ্তানি বাজার। গত অর্থবছর দেশটিতে ২৩৫ কোটি ৪২ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়, যা ওই অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ। এই আয় আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় ২২ শতাংশ বেশি। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ১৯৩ কোটি ৪১ লাখ ডলার। নেদারল্যান্ডসে রপ্তানি হওয়া প্রধান প্রধান পণ্যের মধ্যে নিট পোশাক, ওভেন পোশাক, হোমটেক্সটাইল, ফুটওয়্যার উল্লেখযোগ্য।

সপ্তম স্থানে ইতালি

ইতালি বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের সপ্তম প্রধান আমদানিকারক দেশ। গত অর্থবছর দেশটিতে যায় ১৬৬ কোটি ৪৫ লাখ ডলারের বিভিন্ন পণ্য। এই আয় বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ। রপ্তানি পণ্যের মধ্যে প্রধান হলো নিটওয়্যার। রপ্তানির পরিমাণ প্রায় ৯৬ কোটি ডলার। অন্যদিকে ওভেন পোশাকের রপ্তানির পরিমাণ ৫৮ কোটি ডলার। উল্লেখযোগ্য অন্য পণ্যের মধ্যে রয়েছে হোমটেক্সটাইল, চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা । আগের অর্থবছরের চেয়ে রপ্তানি বেশি হয়েছে ৪ দশমিক ৩২ শতাংশ।

কানাডা অষ্টম

বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের প্রচলিত বাজার কানাডা। রপ্তানি গন্তব্য হিসেবে দেশটির অবস্থান অষ্টম। গত অর্থবছর বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৩ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ এসেছে কানাডা থেকে। পরিমাণ ছিল ১৪৬ কোটি ৩৭ লাখ ডলার। এই আয় আগের অর্থবছরের চেয়ে ১১ দশমিক ২৬ শতাংশ বেশি। ওই অর্থবছর রপ্তানির মোট পরিমাণ ছিল ১৩২ কোটি ডলারের মতো। রপ্তানি তালিকার প্রধান পণ্যের মধ্যে রয়েছে নিট পোশাক, ওভেন গার্মেন্টস, হোমটেক্সটাইল ইত্যাদি।

জাপান নবম

জাপান বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের নবম প্রধান বাজার। এশিয়ার মধ্যে প্রথম। গত অর্থবছর জাপানে রপ্তানির মোট পরিমাণ ছিল ১৪১ কোটি ডলারের কিছু বেশি, যা ওই অর্থবছর বাংলাদেশের মোট রপ্তানির ২ দশমিক ৯২ শতাংশ। আগের অর্থবছর অর্থাৎ ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চেয়ে রপ্তানি বেশি হয়েছে ৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ। ইউরোপের দেশের মতো জাপানেও প্রধান রপ্তানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাকের নিট ও ওভেন। এরপরে চামড়া পণ্য, পাদুকা ইত্যাদি।

বেলজিয়াম দশম

ইইউ জোটভুক্ত দেশ বেলজিয়াম বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের দশম রপ্তানি বাজার। গত অর্থবছর দেশটিতে রপ্তানি হয় ৭৩ কোটি ডলারের পণ্য। এই আয় বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ১ দশমিক ৫১ শতাংশ। আগের অর্থবছরের চেয়ে বেলজিয়ামে রপ্তানি বেশি হয়েছে ১১ শতাংশের মতো। ইউরোপের অন্যান্য দেশের মতো বেলজিয়ামেও রপ্তানি তালিকার প্রধান প্রধান পণ্যের মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাকের নিট পণ্য, ওভেন হোমটেক্সটাইল পণ্য। এর বাইরে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি হয় দেশটিতে।

** রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৫০ বিলিয়ন ডলার
** মে মাসে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১১.৪৫%
** মার্চে রপ্তানি আয়ে ১১.৪৪ % প্রবৃদ্ধি
** রপ্তানি আয়ে শর্ত সাপেক্ষে কর অব্যাহতি-হ্রাস সুবিধা
** জুলাইয়ে রপ্তানি আয় ৪.৭৮ বিলিয়ন ডলার
** ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রপ্তানি বেড়েছে ৯ শতাংশ
** পোশাক রপ্তানিতে মূল্য সংযোজন কমে ৫৮.৯০ %
** পণ্য রপ্তানিতে দশ মাসে প্রায় ১০ % প্রবৃদ্ধি
** রপ্তানি ৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল, ৫.৭% বৃদ্ধি
** সেপ্টেম্বরে রপ্তানি বেড়েছে ১৬ শতাংশ
** পাল্টা শুল্ক ও কর্মবিরতিতে পোশাক রপ্তানি ১২% হ্রাস
** জুনে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ৪৪% বৃদ্ধি
** যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
** বাড়তি শুল্ক এড়াতে ৯ এপ্রিলের আগেই রপ্তানির নির্দেশ
** তৈরি পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি, তবে সামনে সংকট
** ইইউতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে ৪.৮৬% প্রবৃদ্ধি
** ছয় মাসে পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি ১৩%
** রপ্তানি ৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল, ৫.৭% বৃদ্ধি