জাতীয় রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের মাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মাঠ পর্যায়ের দপ্তরসমূহ এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলো দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে গত নয় মাসে (সেপ্টেম্বর-মে) কাস্টমস ও আয়কর অনুবিভাগের মাঠ পর্যায়ের দপ্তরসমূহ এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলো মোট ১৬ হাজার ৫৭২টি রাজস্ব ফাঁকি উদ্ঘাটনের অভিযান পরিচালনা করেছে। যাতে জড়িত রাজস্বের পরিমাণ ৬ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা। আর ফাঁকি উদ্ঘাটন থেকে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৯৯৪ কোটি টাকা। মঙ্গলবার (২৪ জুন) এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল-আমিন শেখ সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই নয় মাসে বিভিন্ন কাস্টম হাউস মোট ২ হাজার ২১৫টি রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটনের অভিযান পরিচালনা করেছে। যাতে জড়িত রাজস্বের পরিমাণ ছিল ১৮৩ কোটি টাকা, যার পুরোটাই আদায় হয়েছে। বিভিন্ন কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট মোট ৬ হাজার ৮০৩টি রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটনের অভিযান পরিচালনা করেছে, যাতে জড়িত রাজস্বের পরিমাণ ছিল ৫১৩ কোটি। যাতে আদায় হয়েছে মোট ৮৯ কোটি টাকা। নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, মূল্য সংযোজন কর, ঢাকা (ভ্যাট গোয়েন্দা) ২৩১টি রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটনের অভিযান পরিচালনা করেছে। এতে জড়িত রাজস্বের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৬৩৯ কোটি। যাতে আদায় হয়েছে মোট ২৪০ কোটি টাকা। কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এ সময়ে রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটনের অভিযান পরিচালনা করে মোট ৭৩ কোটি টাকা আদায় করেছে।
আরো বলা হয়, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি) ১৮১টি করফাঁকি উদঘাটনের অভিযান পরিচালনা করেছে। এতে জড়িত রাজস্বের পরিমাণ ছিল ৩৬৬ কোটি টাকা এবং আদায়কৃত রাজস্বের পরিমাণ ১৯৪ কোটি টাকা। আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট মোট ১৭০টি করফাঁকি উদঘাটনের অভিযান পরিচালনা করেছে। এতে জড়িত রাজস্বের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৮৭৪ কোটি টাকা এবং আদায়কৃত রাজস্বের পরিমাণ ১১০ কোটি টাকা। এছাড়া ৪১টি কর অঞ্চল মোট ৬ হাজার ৯৭২টি করফাঁকি উদঘাটনের অভিযান পরিচালনা করেছে। এতে জড়িত রাজস্বের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা এবং আদায়কৃত রাজস্বের পরিমাণ ১০৫ কোটি টাকা। বর্তমানে এ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।
