ভ্যাট ফাঁকির ঝুঁকিতে ৬০০ হেভিওয়েট প্রতিষ্ঠান

ভ্যাট ফাঁকি উদ্ঘাটনের সহজ পথ প্রতিষ্ঠান অডিট বা নিরীক্ষা করা। নিরীক্ষা করতে হলে কমিশনারেটগুলো ম্যানুয়েল পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করতো। যার ফলে প্রতিষ্ঠান নির্বাচন থেকে নিরীক্ষা পর‌্যন্ত অভিযোগের শেষ ছিলো না। তবে নন-কমপ্লায়েন্স প্রতিষ্ঠানগুলো রাজস্ব ফাঁকি দিতে এসব অভিযোগ বেশি করতো। আবার ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের স্বেচ্ছাচারিতা, ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ বেশি ছিলো। অভিযোগ থেকে বেরিয়ে আসতে অডিট পদ্ধতি সম্পূর্ণ অনলাইন বেজ করতে উদ্যোগ নেয় এনবিআর। এরই অংশ হিসেবে প্রথমবার ই-ভ্যাট সিস্টেমে অটোমেটিক রিস্ক ম্যানেজমেন্ট বা স্বয়ংক্রিয় ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা চালু করা হয়েছে। এই পদ্ধতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কর্মকর্তাদের স্পর্শ ছাড়াই রাজস্ব ফাঁকি দিতে পারে বা রাজস্ব ফাঁকির ঝুঁকিতে থাকা ছয় শতাধিক হেডিওয়েট প্রতিষ্ঠান চিহিৃত করেছে। সম্প্রতি এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো নিরীক্ষা করে অনলাইনে প্রতিবেদন সাবমিট করবে।

এনবিআর কর্মকর্তারা বলছেন, অটোমেটিক রিস্ক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম প্রতিষ্ঠানগুলো সনাক্ত করেছে। এতে বিতর্কের কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া অডিটও হবে সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক। এর ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর রাজস্ব ফাঁকি যেমন কমবে, তেমনি বির্তকের সুযোগ থাকবে না।

এনবিআর সূত্র বলছে, বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান যোগদানের পরপরই ভ্যাট ও আয়করের অডিট বা নিরীক্ষায় অনিয়মের ব্যাপক অভিযোগ পান। এরই প্রেক্ষিতে তিনি ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ভ্যাট ও আয়করের নিরীক্ষা বন্ধ করে দেন। চেয়ারম্যান একাধিক অনুষ্ঠানে বলেছেন, ‘ভ্যাট অডিট নিয়ে অভিযোগের শেষ নাই। দেখা যায়, বড় কোম্পানির প্রতি বছর ভ্যাট অডিট হচ্ছে, কারো কখনোই হচ্ছে না। এটা হচ্ছে, কারণ বাছাই করা হয় ম্যানুয়ালি ব্যক্তির ইচ্ছায়। কর্মকর্তার ওপর চাপ থাকে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর। যখন সে দেখে বড় কোম্পানি নিয়ে ঘাটাঘাটি করলে বেশি কর আদায় করার সুযোগ আছে- এটা ভেবে সে এই বাছাই করে। তাই পুরো ভ্যাট অডিটই বন্ধ করে দিয়েছি। বলেছি- যতক্ষণ না এই বাছাই প্রক্রিয়া অটোমেটেড বা স্বয়ংক্রিয় হচ্ছে, ততদিন এ অডিট বন্ধ থাকবে, প্রয়োজনে কেয়ামত পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এমন ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যেখানে প্রতি তিনটি অডিটের একটা হবে, যার কোনোদিনই অডিট হয়নি। আয়করের ক্ষেত্রে এটা করা যায় কিনা, তার চেষ্টা করছি।’

সূত্র আরো জানায়, আয়কর ও ভ্যাটে অডিট সিলেকশন সম্পূর্ণ অটোমেটেড করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। যার ফলে সম্পূর্ণ অনলাইন পদ্ধতিতে করদাতা সনাক্তকরণ পদ্ধতি চালু করে। ওই পদ্ধতিতে কর্মকর্তাদের স্পর্শ ছাড়াই সফটওয়্যারের মাধ্যমে করদাতাদের তালিকা তৈরি করেছে, যা চলমান রয়েছে। একইভাবে ভ্যাট ফাঁকি প্রতিষ্ঠান চিহিৃত করতে ই-ভ্যাট পদ্ধতিতে অটোমেটিক রিস্ক ম্যানেজমেন্ট মডিউল বা স্বয়ংক্রিয় ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি চালু করে। ভ্যাট অডিট কার্যক্রমে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এই পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। এই মডিউলে প্রতিষ্ঠানগুলোর কি কি কারণে রাজস্ব ফাঁকি হতে পারে বা দিতে পারে-এমন ২০টি ক্রাইটেরিয়া বা প্যারামিটার সেট করে দেওয়া হয়েছে। মডিউল প্রতিষ্ঠানগুলোর অনলাইনে জমা দেওয়া রিটার্ন ও অন্যান্য তথ্য থেকে রাজস্ব ফাঁকি সংক্রান্ত এই ২০টি ক্রাইটেরিয়া অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে ৬০০টি প্রতিষ্ঠান সনাক্ত করেছে। উল্লেখ্য, বর্তমানে প্রায় ৭ লাখ প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট নিবন্ধন বা বিআইএন রয়েছে। এর মধ্যে অনলাইনে প্রায় ৪ লাখ রিটার্ন দাখিল হয়। এই ৪ লাখ প্রতিষ্ঠানের জমা দেওয়া রিটার্ন ও প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য তথ্য যাচাই করে এই মডিউলের মাধ্যমে পূর্বনির্ধারিত রিস্ক ক্রাইটেরিয়া অনুসারে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়ায় অডিটের জন্য ৬০০টি নিরীক্ষাযোগ্য প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ভ্যাট কমিশনাররা ই-ভ্যাট সিস্টেমে নতুনভাবে সংযোজিত অডিট ম্যানেজমেন্ট মডিউলের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলো অডিট করবেন। ৬০০টি প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হওয়ার পর সম্প্রতি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

অপরদিকে, এনবিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অটোমেটেড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট মডিউল ব্যবস্থার আওতায় প্রথম ধাপে দেশের শীর্ষ ৬০০টি প্রতিষ্ঠানকে অডিটের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। এর মধ্যে উৎপাদন খাতের ৪০৫টি, সেবাখাতের ৯৮টি, খুচরা ও পাইকারি ব্যবসার ৬৫টি এবং আমদানিকারক-রপ্তানিকারক শ্রেণির ৩২টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে- ইস্টার্ন লজিস্টিক লিমিটেড, মিউচ্যুয়াল মিল্ক প্রোডাক্টস লিমিটেড, পিএইচপি কন্ডিনিউয়াস গ্যালভানাইজিং মিলস লিমিটেড, ডাবর বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেড, প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, বনফুল অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড, সুপারিয়র রেডিমিক্স কনক্রিট লিমিটেড, ইস্পাহানি ট্রি লিমিটেড, মেরিডিয়ান ফুডস লিমিটেড, ওয়েল ফুড অ্যাড বেভারেজ কোম্পানি লিমিটেড, লং বিচ হোটেল লিমিটেড, সে পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা লিমিটেড, সিগার্ল হোটেলস লিমিটেড, বাংলাদেশ ফরেস্ট ইন্ডাস্ট্রিজ ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন, পিএইচপি শিপব্রেকিং অ্যান্ড রি-সাইক্লিন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, কিশোয়ান স্নাক্সস লিমিটেড, হাইওয়ে সুইটস, বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস লিমিটেড (বিএসআরএম), বিএসআরএম ওয়্যার লিমিটেড, জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেড, কেএসআর স্টিল প্ল্যান্ট লিমিটেড, লুব্রিকেট এশিয়া লিমিটেড, ওয়েল ফুড লিমিটেড, রেকিট বেনকুইজার বাংলাদেশ পিএলসি, সামুদা কনস্ট্রাকশন লিমিটেড, নাহার ডেইরি লিমিটেড, ফুলকলি ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, আবুল খায়ের কনডেন্স মিল্ক অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড, অটোমেশান ইঞ্জিনিয়ারিং, বিএসপি ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড, বিএম এনার্জি বিডি লিমিটেড, বায়জিদ নিউজপ্রিন্ট মিলস লিমিটেড, অলিম্পিক মিল ফুড প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, সাউথ ইস্টার্ন ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড, টাসকম বেভারেজ লিমিটেড, স্মাইল ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড, এসএটিডি গ্রুপ, ইসলাম ফুড অ্যান্ড বেভারেজ, পিএইচপি ইন্ট্রিগ্রেটেড সিল মিলস লিমিটেড, রয়েল ফার্নিচার গ্যালারি, মিয়ামি বেখারি, পিইবি স্টিল অ্যালায়েন্স লিমিটেড, হালিমা মোবাইল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিপেড, মিয়ামি লাইসুর স্পট, আবদুল মোনেম লিমিটেড, প্যাসিফিক কনজিউমার গুডস লিমিটেড, ফেনী লঙ্কা পাওয়ার লিমিটেড, ন্যাশনাল এইচআর ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড, আলম কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ, অরগানিক নিউট্রিশিয়ান লিমিটেড, লালমাই ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড, নিপ কেমিক্যাল অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, স্টারলাইন ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড, গ্লোব বিস্কুট অ্যান্ড ডেইরি মিল্ক লিমিটেড, বেঙ্গল সু ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, নিপ্রো জেএমআই ফার্মা লিমিটেড, জেএমআই সিরিজ অ্যান্ড মেডিকেল ডিভাইস লিমিটেড, সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, কাঙ্গারো ফুটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, এইচএম রহমান এলপিজি গ্যাস প্ল্যান্ট লিমিটেড, এসএএস বিল্ডিং ম্যাটেরিয়ালস লিমিটেড, ভিশন টার্চ ফুড অ্যাড বেভারেজ লিমিটেড, এশিয়ান ফুডস, আবুল বিডি ফ্যাক্টরি লিমিটেড, হামকো কর্পোরেশন, সানডা ফুডস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, বসুন্ধরা পেপার মিলস লিমিটেড, কনফিডেন্স ইনফ্রাকচার পিএলসি, প্রাণ ডেইরি লিমিটেড, মাল্ট্রিলাইন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ময়মনসিংহ এগ্রো লিমিটেড, ফেয়ার ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড, বি-ট্র্যাক ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড, বসুন্ধরা পাইন পেপার মিলস লিমিটেড, জয়তুন বাংলাদেশ লিমিটেড, টোটাল ক্যান অ্যান্ড ক্লোজার লিমিটেড, এলিট কসমেটিকস লিমিটেড, এস কিউ লাইটস লিমিটেড, ইগলু ফুডস লিমিটেড, ইলেকট্রো ম্যাচ অটোমেশান অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড, ড্যানিশ ফুডস লিমিটেড, তানভীর পেপার মিলস লিমিটেড, তানভীর ফুডস লিমিটেড, হাশেম ফুডস লিমিটেড, তাসনিম কেমিক্যাল কমপ্লেক্স লিমিটেড, বসুন্ধরা মাল্টিপেপার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, সিটি অটো রাইস অ্যান্ড ডাল মিলস লিমিটেড, সোনারগাঁও সিডস ক্রাশিং মিলস লিমিটেড, আপন প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, আরএফএল প্লাস্টিক লিমিটেড, আরএফএল ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড, রংপুর মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, মেঘনা নুডলস অ্যান্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরি লিমিটেড, বার্জার পোশরেস লিমিটেড, রূপসি ফুডস লিমিটেড, টি কে ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড, মীর কনক্রিট প্রোডাক্টস, ফুলকলি সুইটস লিমিটেড, আবদুল মোনেম সুগার রিফাইনারি লিমিটেড, এম হোসেন কটন স্পিনিং মিলস লিমিটেড, রহিম সুপার এক্সট্রিম লিমিটেড, ইলসন কনজুমার প্রোডাক্টস লিমিটেড, তানভীর স্টিল মিলস লিমিটেড, সেভয় আইসক্রিম ফ্যাক্টরি লিমিটেড, মিল্লাত কেমিক্যাল কোং লিমিটেড, নোহা ফ্যান ফ্যাক্টরি ইন্ডাস্ট্রিজ, বেঙ্গল বে লিমিটেড, গালফ ওয়েল বাংলাদেশ লিমিটেড, নাভানা লিমিটেড, রানার মটস লিমিটেড, এসিআই ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি, আগোরা লিমিটেড, ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, এমজেএল বাংলাদেশ পিএলসি, এশিয়ান পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড, ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি, আকিজ প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেড, আকিজ ডেইরি, আকিজ পার্টিক্যাল বোর্ড মিলস লিমিটেড, বিডি ফুডস লিমিটেড, কাসেম ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি, ওয়ালটন কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি, পারফেট্টি ভ্যান মেল বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেড, হাতিল কমপ্লেক্স, নোমান হোম টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, নোমান স্পিনিং মিলস লিমিটেডন, জাবের স্পিনিং মিলস লিমিটেড, ক্লাসিক মেলামাইন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ইপিলন ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড, পান্না ব্যাটারি লিমিটেড, বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেড, এনআরবি কর্মার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড, বেঙ্গল মিট প্রেসেসিং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, এসিআই প্রিমিও প্লাস্ট্রিজ লিমিটেড, টিবিএস অটো বাংলাদেশ লিমিটেড, গ্লোবাল ব্র্যান্ড পিএলসি, ইফাদ মাল্টি প্রোডাক্টস লিমিটেড, এনার্জিপ্যাক ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড, কাজী ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, আহমেদ ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড, ইফাদ অটোস পিএলসি, সিপি বাংলাদেশ কোং লিমিটেড, বিডি থাই ফুডস অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড, খান অ্যান্ড ব্রাদার্স, কায়িম মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড প্রমুখ।

এই বিষয়ে এনবিআর সদস্য (মূসক নিরীক্ষা) সৈয়দ মুসফিকুর রহমান বিজনেস বার্তাকে বলেন, ২০ ধরনের রিস্ক ক্রাইটেরিয়া বা প্যারামিটার মডিউলে সেট করে দেওয়া আছে। প্রতিষ্ঠানের জমা দেওয়া অনলাইন রিটার্নে এই ২০ ধরনের প্যারামিটার অটো যাচাই হয়। এতে যেসব প্রতিষ্ঠান এই প্যারামিটারের মধ্যে পড়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠান অটো সিলেক্ট হয়ে গেছে। অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠানের রিটার্নের অসঙ্গতি বলছে যে প্রতিষ্ঠান রাজস্ব ফাঁকি দিতে পারে। অনলাইনে যত রিটার্ন পড়েছে, সেখান থেকে যাচাই করে অটোমেটিক ৬০০ প্রতিষ্ঠান সিলেক্ট হয়েছে। এখন কমিশনাররা অডিট করে অনলাইনে প্রতিবেদন দাখিল করবেন। বছরে অন্তত একবার সিলেকশান ও অডিট হবে। এর ফলে অডিট নিয়ে অভিযোগ আশা করি থাকবে না।

** বিক্রি গোপন, সই জালিয়াতি, ৮.৫০ কোটি ভ্যাট ফাঁকি
** ভ্যাট ফাঁকি হ্রাস ও কর্মপরিকল্পনা তৈরিতে টাস্কফোর্স গঠন
** উৎসে ভ্যাট ফাঁকি ও অবৈধ রেয়াত নেয় ব্র্যাক ব্যাংক
** ভ্যাট ফাঁকি-অবৈধ রেয়াত নেয় ইন্টারকন্টিনেন্টাল
** ১২৬ প্রতিষ্ঠানের ১,৫৮৬ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি
** ১৮ হাজার কোটি ভ্যাট ফাঁকি দেয় হোটেল-রেস্তোরাঁ
** ‘স্যামসাংয়ের’ ভ্যাট ফাঁকি ১৬২ কোটি টাকা
** পাঁচ মহাসড়কে ৭০ রেস্টুরেন্ট, ভ্যাট ফাঁকি বন্ধ হচ্ছে
** ২৭৫ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকিতে ১০ কোটিতে রফা
** ১৫ বিমা কোম্পানির ৫৯ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি
** এএফসি এগ্রোর ৯ কোটি ২৮ লাখ টাকা ভ্যাট ফাঁকি
** তথ্য গোপন করে প্রিমিয়ার সিমেন্টের ভ্যাট ফাঁকি
** ভ্যাট ফাঁকিতে অনলাইন মার্কেটপ্লেস ‘দারাজ’
** ‘ওয়ার্টসিলা বাংলাদেশ’র ২২ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি
** কাই অ্যালুমিনিয়ামের ৮.৫ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি
** ডেল্টা লাইফের সাড়ে ২৫ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি
** ২৫,২০০ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের!
** ঢাকা রিজেন্সি হোটেলের ৫৮ লাখ টাকা ভ্যাট ফাঁকি
** ভ্যাট ফাঁকির ৬.৩৬ কোটি টাকা পরিশোধ করল পপুলার গ্রুপ
** ফু-ওয়াং বারের ৪১ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি
** ড্যানিশ ফুডসের ৩.৪৬ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি
** ইফাদ মাল্টির ১২৫ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি