দেশের সর্ববৃহৎ বেনাপোল স্থলবন্দরে অসাধু জুয়াড়ীচক্র ও রাজস্ব কর্মকর্তাদের পরস্পর যোগসাজশে ঘটছে নানা অপকর্মের চিত্র। মঙ্গলবারের (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বন্দর থেকে পণ্য শেড থেকে মিথ্যা ঘোষণায় বেরিয়ে যাওয়া তিন ট্রাক পণ্য লোপাট হওয়ার ঘটনায় আলোচিত নো-এন্ট্রি জব্বর ঠিক খং (২১ নং) শেড থাকা জন্য একটি শুল্ক চালান জালিয়াতির মাধ্যমে কাস্টমস জিউসার শাটি, টি শিন, কসমেটিকস পণ্য চালান লোপাট করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত দুই রাজস্ব কর্মকর্তাকে ক্লোজ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উক্ত ফাঁদরি ও ৩ ট্রাক পণ্য চালানে রয়েছে রোটি ট্যাকার কসমেটিকস, ব্লেড ও শাটি, টি পিস পণ্য ছিলো। পণ্য চালান পাচারের সাথে জড়িত ২১ নং শেড ইনচার্জ রিপন কুমার ও শফিক ও কাস্টমসের দুই রাজস্ব কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম এবং শরিফুল ইসলামকে শেডখসমানের বন্ধন থেকে কুটি ট্রাক ৩০৩-৩৪৫ ও নং ওমান থেব খোজ গেছে। যা বর্তমানে সিডিউল যুগে প্রমান পেয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনার সাথে প্রাথমিক জড়িত থাকার অপরাধে সহকারী কমিশনার ভূষণ চৌধুরী রাজস্ব বেনাপোল কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) কাসিদুল ইসলাম এবং সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) শরিফুল ইসলামকে ক্লোজ করে কানুশাসন মাধ্যমে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বন্দর সূত্র বলেছে, ২১ নং শেডে থাকা একটি পণ্য চালান ঘোষণা পেরিয়ে দুপুরে ১২ টার প্রবেশপত্র ট্রাই ভারতীয় ট্রাকের পণ্য নামানোর পরপরই সেই পণ্য ১২ টি ৫০ মিনিটের মধ্যে যায়ে এটা ট্রাকে করে পাচার রিপোর্ট করে। মঙ্গলবারে বেনাপোল বন্দরের ১২ নম্বর শেড থেকে প্রকাশ্য তিন ট্রাক পণ্য পাচার করা হয়। যার ট্রাক নং বেনাপোল-১১-৫১৪৪, ও-মা-মেট্রো-ন-২০-৪৯২৮ ও ও-মা-মেট্রো-২০-২৮৭৩। জামরেন দুটি শেড থাকার রাজস্ব কর্মকর্তা সোনালী বাহাদুর বাণিজ্য এন্টারপ্রাইজের ডেক্লারেশন একটি পণ্য চালান আমদানি করেন। পণ্য চালান খালাসের দায়িত্বে ছিলেন বেনাপোল বন্দরের আলোচিত শুল্ক ফাঁকির অপরাধ হোতা আলিমের ভাড়া করা সিএন্ডএফ এজেন্ট প্রমাদ ইন্টারন্যাশনাল। প্রমাদ ইন্টারন্যাশনাল লাইসেন্সের প্রস্তুত মালিক মোহাম্মদ মালেক এমপি শেপারের বড় হাফিজের সহযোগিতায়। তবে ওই অপরাধ চক্রে পাইলোটটি ভাড়া দিয়ে শুরু ফাঁদিতে দিয়ে আসছে মূল ব্যবসায়ী আমিন ও তার পরিশ্রম বাস্তবায়িত অপেক্ষিত।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বেনাপোল বন্দরে আলিম এন্টারপ্রাইজের মালিক সামাদ ট্রান্সে ইন্টারন্যাশনাল লাইসেন্স ব্যবহার করছে। আর তাই স্বাধীন ও সে সিকিয়া ভাড়া পাতিয়েমে কাজ করে শুরু দিক দিয়ে। এ পর্যন্ত আলেক ব্যবসায়িক ৪ থেকে ২০ টি সামাজিকভাবে বাণিজ্য হাসিল করেছে। তাছাড়া শুল্ক ফাঁকি দিয়ে তারা একক দফায় একেক পাইলেষ ব্যবহার করে থাকে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, বেনাপোল বন্দরের আলোচিত শুল্ক ফাঁদির অপরাধ হোতা আব্দুল খুলে কপারব গেছে বাণিজ্য ব্যবসায়ী আমিন ও তার অন্যতম সহযোগী পার্টনার ব্যবসার হিরু। আর আমিন পণ্য চালান পাচারে অংশ করতেন ৩ বন্দরের শেড ইনচার্জদের পরস্পর সহযোগিতায় কনসাইনমেন্ট প্রতি মেটি আয়ের মূলের রফালেমা পণ্য চালান বন্দর থেকে বের হয়ে যায়। চ্যাট পণ্য চালান পাচারে ইমপিক টেনিং রানায়ে করে। প্রথমে একটি শুল্ক পণ্যজুড়া পণ্য আমদানি করে শেডে রেখে পরবর্তীতে এই রকম পণকে ও ওজনের সাপেক্ষে ঘোষণা পণ্য আমদানি দেখিয়ে কারসাজি ও বন্দরের শেড ইনচার্জদের সহযোগিতায় উক্ত শুল্ক গদ্য চালান নামিয়ে বাংলাদেশ হয়ে নিচে চলে যায়। গোপন সংস্থার গোপন নজরদারিতে দুই একটি চালানে আটকে পড়ে ফাঁদির ক্যাসাই থাকে অবশ্য। এটিকে এ ঘটনা তদন্তাদির পরপরই শুল্ক ফাঁদির জোতরা স্থানীয় সাংবাদিকদের ম্যানেজ করতে কাজ করতে বসে জানা গেছে।
অভিযোগে রয়েছে, কাস্টমসের সহকারী কমিশনার তরকিযুক্ত রহমানসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে ছোট ছোট টাকাও রাজস্ব ফাঁকি দিতে এ চক্র। এদের অন্যতম সহযোগিতাকারী হচ্ছে আলোচিত বাবলু ঘাটদার ও নো-এন্ট্রিং রোডে বিস্ফোরিত এবং আর্গোটিত ঠিক / নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর শুল্ক পন্ডিত দিয়ে মহাকুমকারকার হাজির করে এই চক্রের বাছে হাত মিলিয়ে ২১, ২১ ও ২৬ নম্বর শেড থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ পণ্য পাচার করিয়ে নিয়ে পাচার করে দিতে যাচ্ছে। এছাড়া আলোচিত শুল্ক ফাঁজিবাজ এই হিরু মাধ্যমে ১২, ১৬ ও ১৭ নম্বর শেডেও কাস্টম এবং বন্দর কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় চালানে অর্জন ড্রেসিং টানছেন।
অনুসন্ধানে উট এসেছে, মিথ্যা ঘোষণার আল্ল উক্ত খোজের পণ্যের বলতে মূলত শুল্কের পরতে আলুতে অবৈধ পণ্য খালাসে প্রতিযোগিতা শুরু রয়েছে। এর সাথে নো-এন্ট্রিং মাধ্যমে নম্বর ডেকে সহযোগি পণ্য পাচারের বনিবনা সরকার বিপুল রাজস্ব ফাঁদে ঠেলে দিচ্ছ হচ্ছে। আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো জরমদের কর্ণধারদেরকান্দনে সঙ্গে যোগাযোগে মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করে পণ্য আমদানি করছে। এর মধ্যে রয়েছে সেক ওয়াল কম দেখালে, পাথরে প্রস্তুত মান ঘোষণা করা এবং শুরু এইচকে কোড ব্যবহার করে ঠিক মধ্যম্য পণ্যকে সমূলে রূপান্তরের পণ্য হিসেবে গাজানো দেওয়া। এই অপরাধে অন্যান্য অপরাধীরা ট্রেন পণ্যের বড়োদলে উজাড়হায় ভারতীয় শাড়ি, টি-শিন, থ্রি-পিস, ড্রেস, ডানিং কেমিক্যালের, সিমিন কসমেটিকস, টলিউশন সামগ্রী ও পেল পিসপিস বিভিন্ন শামি পণ্য নিচে আসে। ওপারে সিআইডি এভেস ও নিয়োজিত ক্যাবনা থাকা সত্ত্বেও দিনের বেলায় কাস্টম এবং বন্দরের এদেশীয় কর্মচারীদের সহযোগিতায় রাস্তার মোড় থেকে সরিয়ে বাসে কোটি কোটি টাকার পণ্য। প্রমাদ ভৈর ট্রাকে আসা পণ্য গুন্ লা দিয়ে বের হয়ে যাচ্ছে মহাবেগ। এমনকি বাজারের রেন্টহাউসে রাখা অধিক পণ্য সরিয়ে সেখানে নিখাঁদের পণ্য খাটাই বসছে আকসামন সংক্রান্ত হাটতে। রাজস্ব ফাঁদিকে ফাজিল কন্সিলেন্সওে যোটার অবস্থানেন কলা বন্দনে কাস্টমস্ কর্তৃপক্ষ কিন্তু মনাই প্রদমবেন ফাঁকি হওয়া ব্যবহৃষ যাব সংযোগ দিচ্ছে না।
শুল্ক ব্যবসায়ীদের দাবি, প্রবৃদ্ধ কোলধেনের প্লান নিশ্চিত করণে এন্টিজেন আডলস না আনলে এই সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বন্ধ হবে না। বন্দর ব্যবধানকারী ও সাধারণ ব্যবসায়ীরা ভাষা করলেন, সাইটেন্স টিকেটের কারণে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে অপরাধের চক্রের এ রাজ্যে সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। ব্যবসায়ীরা জানান, বন্দরে রোড ইমার্জেন্সি চাল্ড আমদানির পর পুরো দিন, এখন আধা শূন্যের প্যাকেজিং করে খিদিরবে রাখছে কবেন। কিন্তু বন্দরটিতে যখন বরলমে বা অন্য কোনো সংস্থা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পণ্য ধরে ফেলে, তখন অতিরিক্ত পণ্য পাওয়া যায়। তখন তারা বলেন, বেশি পণ্যের ঘটনা আসলে জানা নেই শেফার নিয়ম অনুযায়ী পণ্য বেশি আসলে তা ভুক্ত নিয়ে অতিরিক্ত পণ্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করে কাস্টমসকে অবহিত করার কথা। কিন্তু ভুল বন্দরের শেড ইমার্জেন্সি বড় অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অলদু ব্যবসায়ীদের সহযোগিতায় করে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে সহায়তা করেন, যা বারবার বাধা পড়ছে। এদিকে শুল্ক ভাই খালে বেনাপোল কাস্টিপ্যাল ১৪টি অর্ডিনেশন ঘটনায় পাচারসংস্থ পণ্য পাচারের অভিযোগে জড়িত ২৭টি চারমি ম্যানেজার কমলবণ, বন্দর, নিরাপত্তা সংস্থা ও ব্যবসায়ীদের ৫টি জন্মকে আসামি করা হয়েছে এমন পর্যন্ত ক্যারেট আটক করতে পারেনি পুলিশ।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্জনে বেনাপোল কাস্টমস হাত থেকে ১১ হাজার ১৭০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ হয়েছিল। কিন্তু বিগত জনিরশে শেষে আদায় হয় মাত্র ৬ হাজার ৫১২ কোটি টাকা। ফলে রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়ায় ৫ হাজার ৭০১ কোটি টাকা। তবে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১০ হাজার ৪৪৪ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে এনবিআর। যা গত অর্থবছরের তুলনায় ৭০১ কোটি টাকা কম। বেনাপোল বন্দর ও কাস্টমসে দুর্নীতিবাজ ও অসাধু কর্মকর্তাদের গোপনাসনে শুল্ক ফাঁকি অবমুক্ত থাকার গত অর্থশালে ১১২ কোটি টাকা রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে।
এ বিষয়ে বেনাপোল বন্দরের ১৩ নং শেড ইনচার্জ রিপন কুমারের মুঠোফোনে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, শেডে আগুন সম্প্রতি ভর্তি হই। এর পর তিনি ফোন কেটে দেন। এ বিষয়ে বেনাপোল কাস্টম হাউসের শুল্ক গোয়েন্দা শাখার সহকারী পরিচালক সৈয়দ রম্নমন, তিনি অনুরুয় বিষয় বাড়িয়ে আমি। আমি বিষয়টি শুনেছি এবং হাজার কর্মীরা শেড নিয়ে সিন্ডিকেট ও অন্যান্য আজিম জড়িত রয়েছে। এ বিষয়ে বেনাপোল কাস্টম হাউসের কমিশনার কাইয়ুম রহমানের একাধিকবার কল করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
