Header – After

বন্ডের কাপড় ‘ডোর-টু-ডোর সার্ভিস’ ও এলসি বিক্রি করে কেএলডি

জানে না উত্তর বন্ড কমিশনারেট

** এয়ার বা বিমানে আমদানি করা প্রতি কেজি কাপড় ১৫০ টাকা কন্ট্রাক্ট করে বন্ডের মালিক, যার মধ্যে ৫০ টাকা সিঅ্যান্ডএফ খরচ, ১০০ টাকা বন্ড লাইসেন্স মালিক নেয়
** স্টক লটের মাল ও ভুয়া কাগজ দেখিয়ে অ্যাসাইকুডায় ভুয়া রপ্তানি দেখালেও ব্যবস্থা নেয় না বন্ড কমিশনারেট
** প্রতিষ্ঠানটি বন্দর দিয়ে আমদানি করা প্রতি কনটেইনার কাপড় ৩০-৩৫ লাখ টাকায় বিক্রি করে এলসি
** ২০২১ ও ২০২২ সালে কোনো রপ্তানি নেই, ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ সালে যে দেশে ও যেসব পণ্য রপ্তানি দেখিয়েছে, তা আমদানি করা কাপড়ের সঙ্গে মিল নেই
** প্রতিষ্ঠানটির কাগজে কলমে ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহিদুল ইসলাম আকাশ, কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির মালিক পরিচয় দেয় আফচার, এই আফচার ডোর-টু-ডোর সার্ভিস দেয়, অসাধু ব্যবসায়ী থেকে এলসি আনে, কন্ট্রাক্টে পণ্য খালাস করেন

বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের পণ্য চীন বা অন্য দেশ থেকে ছোট ছোট আকারে পণ্য আমদানি করে কেএলডি অ্যাপারেলস লিমিটেড মাধ্যমে পণ্য খালাসের পর বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছে পাঠানো কে, ‘ডোর-টু-ডোর সার্ভিস বলে’ দেশে বহু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ডোর টু ডোর পণ্য বিক্রি করে। তবে বন্ড সুবিধায় আমদানি করা কাপড় এবং এক্সেসরিজ পণ্যও ‘ডোর-টু-ডোরে’ বিক্রি হচ্ছে! মনে করছেন কিভাবে সম্ভব? কেএলডি অ্যাপারেলস লিমিটেড নামে একটি বন্ড প্রতিষ্ঠান বন্ড সুবিধায় কাপড় ও এক্সেসরিজ পণ্য আমদানি করে তা ডোর-টু-ডোর সার্ভিসের মাধ্যমে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অর্ডার অনুযায়ী এয়ার বা বিমানের এফওসির মাধ্যমে সর্বনিম্ন ১৯ কেজি থেকে সর্বোচ্চ ১২০০ কেজি কাপড় ও এক্সেসরিজ আমদানি করে বিক্রি করছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রতি কেজি কাপড় ও এক্সেরিজ প্রতিষ্ঠানটি বিক্রি করে মাত্র দেড়শ টাকায়, যার মধ্যে ১০০ টাকা পায় প্রতিষ্ঠান। আর ৫০ টাকা কাস্টমস, কুরিয়ার ও সিঅ্যান্ডএফ খরচ নেয়। শুধু ডোর-টু-ডোর নয়, প্রতিষ্ঠানটি ’৩০-৩৫ লাখ টাকায় পতি কন্টেইনার কন্ট্রাক্টে’ এলসি বিক্রি করে, যার মাধ্যমে কাপড় আমদানি করে অসাধু ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে আসছে। বন্ড সুবিধায় আমদানি করা পণ্য শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে আমদানি করলেও কোনো ব্যবস্থা নেয় না ঢাকা উত্তর কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট। আর প্রতিষ্ঠানটি বাঁচতে নিজের ইএক্সপি ব্যবহার করে অন্য ব্যবসায়ীদের স্টক লটের মাল দেখিয়ে ভুয়া কাগজে রপ্তানি দেখিয়ে আসছে বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে। প্রতিষ্ঠানটির ডোর-টু-ডোর ও এলসি কন্ট্রাক্টে কাপড় ও এক্সেসরিজ পণ্য বিক্রির প্রমাণ বিজনেস বার্তার হাতে রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রপ্তানিকে উৎসাহ দিতে এবং বৈদেশিক মুদ্রা আহরণের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে শর্ত সাপেক্ষে বন্ড সুবিধা দেওয়া হয়। কিন্তু কেএলডির মতো প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ড সুবিধার অপব্যবহার করে আসলে বন্ড কমিশনারেট কোনো ব্যবস্থা নেয় না টাকার ভিনিময় পার পেয়ে যায়। বিশেষ করে প্রতিষ্ঠানটির মেশিনারিজ আছে কিনা, আমদানি করা কাপড় দিয়ে পণ্য তৈরি করে কিনা-তা যাচাই করে না বন্ড কমিশনারেট।
KLD Bond North
কেএলডি অ্যাপারেলস লিমিটেডের আমদানি তথ্য যাচাই করে দেখা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত বন্ড সুবিধায় ১ লাখ ৭৩ হাজার ৯১৭ কেজি বা প্রায় ১৭৪ মেট্রিক টন কয়েক ধরনের কাপড় ও এক্সেসরিজ পণ্য (লেস, স্টিকার, লেভেল,জিপার ইত্যাদি) আমদানি করেছে। বেশিরভাগ কাপড় ও এক্সেসরিজ পণ্য আমদানি হয়েছে চীন থেকে। অল্প কিছু সংখ্যক কাপড় ভারত, দুবাই, হংকং থেকে আমদানি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি সর্বনিম্ন ১৯ কেজি থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ২৮ হাজার কেজি পর্যন্ত কাপড় ও এক্সেসরিজ আমদানি করেছে। তবে ১৯ কেজি থেকে সর্বোচ্চ ১০০ কেজি পর্যন্ত এই পাঁচ বছরে ৯৫ শতাংশ কাপড় ও এক্সেসরিজ আমদানি করেছে বাই এয়ার বা বিমানে। আর সর্বনিম্ন এক হাজার থেকে সর্বোচ্চ ২৮ হাজার কেজি কাপড় আমদানি করেছে জাহাজে, যা চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস দিয়ে খালাস হয়েছে। এই পাঁচ বছরে ২৮টি বড় চালানে কাপড় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস দিয়ে আমদানি করেছে প্রতিষ্ঠান। আর বিমানে প্রতিটি চালানে ১৯ কেজি থেকে সর্বোচ্চ ১২০০ কেজি পর্যন্ত কাপড় আমদানি করা হয়েছে। কখনো ওভেন ফেব্রিক্সস, কখনো পলিস্টার ফেব্রিক্সস, কখনো টেক্স ওভেন ফেব্রিক্সস আবার কখনো শুধু ফেব্রিক্সস ঘোষণা দিয়ে কাপড় আমদানি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

কেএলডি অ্যাপারেলস লিমিটেডের রপ্তানি তথ্য যাচাইয়ে দেখা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত রপ্তানি যাচাই করা হয়েছে। যাতে দেখা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি ২০২১ ও ২০২২ সালে কোনো পণ্য রপ্তানি করেনি। ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ সালে রপ্তানি দেখিয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ১১০ কেজি বা প্রায় ১১৩ মেট্রিক টন। অথচ কাপড় আমদানি করেছে প্রায় ১৭৪ মেট্রিক টন। প্রায় ৬১ মেট্রিক টন কাপড় কম রপ্তানি দেখিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি লেডিস ও মেন্স টি-শার্ট, টাউজার, হুডি, ডেনিম প্যান্টসহ কটন ফেব্রিক্সের পণ্য রপ্তানি করা হয়েছে বলে দেখিয়েছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কাগজে কলমে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহিদুল ইসলাম আকাশ। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করেন আফচারসহ কয়েকজন। বিশেষ করে আফচার পরিচালনা করেন। তিনি প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বে রয়েছেন বলে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে দাবি করেন বলে জানা গেছে। প্রতিষ্ঠানটি সর্বনিম্ন ১০ কেজি থেকে সর্বোচ্চ এক থেকে দেড় হাজার কেজি হলে এয়ার বা বিমানে এফওসিতে আমদানি করে। মূলত ডোর-টু-ডোরে সার্ভিস দেয় বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রির জন্য বিমানে এই কাপড় বন্ড সুবিধায় আমদানি করে প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানের মালিকের সঙ্গে আফচারসহ কয়েকজনের অলিখিত চুক্তি রয়েছে। যাতে প্রতি কেজি বন্ড সুবিধার কাপড় আমদানিতে বন্ড লাইসেন্সের মালিক অর্থাৎ কেএলডির মালিক পক্ষ দেড়শ টাকা নেয়। এর মধ্যে ১০০ টাকা প্রতি কেজি কাপড়ের জন্য, আর ৫০ টাকা সিঅ্যান্ডএফসহ অন্যান্য খরচ। আফচারসহ অন্যান্যরা ডোর-টু-ডোর সার্ভিসের অর্ডার নেন। পরে কাপড় বিমানে এফওসির মাধ্যমে আসার পর তা খালাস করে ডোর-টু-ডোর পৌঁছে দেয়া হয়। বন্ড সুবিধায় কন্টেইনার ভর্তি কাপড় খোলাবাজারে বিক্রি নতুন নয়। কিন্তু বন্ড সুবিধার কাপড় ডোর-টু-ডোর বিক্রি অবিশ্বাস্য হলেও সত্য। বন্ড সুবিধায় এভাবে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি প্রকাশ্যে কাপড় আমদানি করে আসছে বলে কাস্টম হাউসের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। তবে ঢাকা উত্তর কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট কখনো কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে, কেএলডি সব সময় পলিস্টার ফেব্রিক্সস (বোরকার কাপড়) আমদানি করেছে। যা দিয়ে মূলত লেডিস ড্রেস, লেডিস লং ড্রেস, লেডিস স্কার্ফ তৈরি করা হয়। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি ফেব্রিক্সস, ওভেন ফেব্রিক্সসহ কয়েক ধরনের সুতার কাপড় ঘোষণা দিয়ে পলিস্টার ফেব্রিক্সস খালাস নিয়েছে। আবার রপ্তানি দেখিয়েছে লেডিস ও মেন্স টি-শার্ট, টাউজার, হুডি, ডেনিম প্যান্ট, লেডিস স্যুট, জ্যাকেট ইত্যাদি। এসব পণ্য নিট কটন ফেব্রিক্স দিয়ে তৈরি হয়। আবার রপ্তানি দেখিয়েছে আমেরিকা, সৌদি, দুবাই, জার্মানি, কাতারসহ কয়েকটি দেশে। অথচ একটি কোম্পানি এত দেশে রপ্তানির অর্ডার পায় না। প্রতিষ্ঠানের ইএক্সপি ব্যবহার করে অন্য স্টক লেটের মাল কিনে বা অন্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের রপ্তানির পণ্য ব্যবহার করে ভুয়া রপ্তানি দেখিয়েছে বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি এফওসি সুবিধা ও ইসলামপুরসহ বিভিন্ন এলাকার অসাধু ব্যবসায়ীদের কাছে কন্ট্রাক্টে এলসি বিক্রি করে। আফচারসহ আরো কয়েকজন এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি এলসি পতি কনটেইনার ৩০-৩৫ লাখ টাকায় এলসি বিক্রি করেন। আর ঢাকা উত্তর কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকর্তারা বিষয়টি জানলেও এই নিয়ে টাকার বিনিময়ে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। উল্টো সংশ্লিষ্ট শাখায় প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে ‘ঘুষের রেট অনুযায়ী টাকা’ দেওয়া হয় বলে সূত্র জানিয়েছে। এখন প্রতিষ্ঠানটি বিপুল পরিমাণ কাপড় এফওসি সুবিধায় আমদানি করে বিক্রি করার জন্য বন্ড কমিশনারেটে আবেদন করেছে বলেও সূত্র জানিয়েছে।

এই বিষয়ে বক্তব্য জানতে কেএলডি অ্যাপারেলস লিমিটেডের শাহিদুল ইসলাম আকাশ এর ব্যক্তিগত নাম্বারে ফোন দেওয়া হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনার দায়িত্বে থাকা আফচার ডোর-টু-ডোর সার্ভিস দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। কন্ট্রাক্টে এলসি বিক্রি, কাস্টমস-বন্দরের কর্মকর্তাদের ঘুষের কন্ট্রাক্ট করে কাপড় খালাসের বিষয়টিও তিনি অস্বীকার করেন। আমরা বাহিরে কিছু বিক্রি করি না, সব এক্সপোর্ট করি। আমি ব্যস্ত আছি, পরে ফোন করবো-এ কথা বলে তিনি ফোন কেটে দেন।

এই বিষয়ে ঢাকা উত্তর কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের একজন কর্মকর্তা বিজনেস বার্তাকে বলেন, বিষয়টি আমাদের জানা ছিলো না। আমরা খোঁজ নিয়ে দেখতেছি। বন্ড সুবিধার কাপড় বা অন্য কোনো পণ্য খোলাবাজার বা ডোর টু ডোর সার্ভিসের মাধ্যমে বিক্রির সুযোগ নেই। এছাড়া এলসি বিক্রির তো সুযোগও নেই। যদি প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

** শতাধিক অসাধু বন্ড প্রতিষ্ঠানের লেনদেন যাচাই হচ্ছে
** ওলিরা ফ্যাশন: বন্ড সুবিধার অপব্যবহারে ২৬ কোটি ফাঁকি
** ‘ফ্রেশ সুগারের’ বন্ড সুবিধার অপব্যবহার
** ‘সিটি সুগারের’ বন্ড সুবিধার অপব্যবহার থামছে না
** হৃদয় গ্রুপের বন্ড সুবিধার অপব্যবহার
** আনোয়ার গ্রুপের প্রতিষ্ঠানের বন্ড ‍সুবিধার অপব্যবহার
** বন্ধ প্রতিষ্ঠানের ২৪৫ টন বন্ডের কাপড় খালাসের চেষ্টা
** সেই রাফায়েতের ২৫৯৫ টন কাপড় খুঁজে পায়নি বন্ড
** বন্ডের ৪৯২৭ টন কাপড়ের ৩৭৯৭ টন-ই বিক্রি করে দিয়েছে!
** ১৪৫ টন বন্ডের কাপড় গোডাউনে ঢুকেনি, সড়ক থেকে ‘হাওয়া’
** ‘বন্ডের পণ্য বাজারে বিক্রি করলেই লাইসেন্স বাতিল’
** টেরিবাজারে জাহাজ থেকে খালাস হয় বন্ডের কাঁচামাল!
** বন্ড দুর্নীতিতে বছরে ৫শ কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি
** তিন গার্মেন্টস মালিকের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ
** নেত্রকোনা এক্সেসরিজের ৫ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকি
** রপ্তানি না করেও পাচ্ছে প্রাপ্যতা-ইউপি, বিক্রি করে এলসি
** প্রাপ্যতা জালিয়াতি, এমডি-চেয়ারম্যানের নামে মামলা
** ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে মিলবে বন্ড সুবিধা
** ‘ট্রেজারি বন্ডের ট্যাক্স বাড়ানো হয়েছে
** বন্ড লাইসেন্স না থাকলেও কাঁচামাল আমদানির সুযোগ
** বন্ড অফিসে বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
** এইচএস কোডের চার ডিজিট মিল থাকলে খালাস করতে হবে
** এইচএস কোড ভিন্ন হলেও পণ্য খালাসে জটিলতা নেই
** এইচএস কোডের ভুলে ৪০০% জরিমানা, ব্যবসায়ীরা হয়রানি হচ্ছেন: ডিসিসিআই
** এইচএস কোড পাল্টে পণ্য খালাস নেয় বার্জার পেইন্টস
** বন্ড ছাড়াই কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেবে এনবিআর
** ১৪৫ টন বন্ডের কাপড় গোডাউনে ঢুকেনি, সড়ক থেকে ‘হাওয়া’
** কাঁচামাল আমদানিতে ছাড় দিতে চায় এনবিআর
** ‘প্রাপ্যতার সুযোগে’ বন্ডের এক্সেসরিজ খোলাবাজারে
** অনলাইনে মিলছে ‘বন্ড লাইসেন্স’
** তুলা আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা
** ইপিজেডের বন্ড সুবিধার ১০৭ টন কাপড় চট্টগ্রামে আটক
** আনোয়ার গ্রুপের প্রতিষ্ঠানের বন্ড ‍সুবিধার অপব্যবহার
** ‘বন্ডের পণ্য বাজারে বিক্রি করলেই লাইসেন্স বাতিল’
** ৩০১ টন বন্ডের কাঁচামাল গায়েব করেছে ‘জেএফকে ফ্যাশন’
** অনুমোদন পেলো ‘ঢাকা উত্তর বন্ড কমিশনারেট’