প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের ৬৬ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি

** তিন বছরে ৬৬ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ
** অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য দেখিয়ে ৩৫ কোটি টাকা ভ্যাট
** সহবীমা প্রিমিয়ামে ৬ কোটি ৪১ লাখ টাকা
** বিদেশি সেবায় উৎসে ভ্যাট ৯ কোটি ৬৮ লাখ
** রিইন্স্যুরেন্স কমিশনে ৮ কোটি টাকা ভ্যাট
** রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ অস্বীকার করেছে প্রগতি ইন্স্যুরেন্স

অবৈধভাবে মূসক (ভ্যাট) রেয়াত গ্রহণ, অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য দেখিয়ে মূসক পরিশোধ না করা, সহবীমা প্রিমিয়ামের ওপর মূসক না দেওয়া, বাতিল করা মানি রিসিটের প্রিমিয়ামের ওপর মূসক পরিশোধ না করা এবং রিইন্স্যুরেন্স কমিশনের ওপর মূসক না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রগতি ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের বিরুদ্ধে। এর পাশাপাশি বিদেশ থেকে আমদানি করা সেবার বিপরীতে বিদেশে পাঠানো সেবামূল্যের ওপর উৎসে মূসকও কর্তন করা হয়নি বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নিরীক্ষায় উঠে এসেছে।

এভাবে আটটি খাতে প্রতিষ্ঠানটির ৬৬ কোটি ৬ লাখ ৪১ হাজার ২৮৭ টাকা রাজস্ব ফাঁকি বা অনিয়মের তথ্য পেয়েছে বৃহৎ করদাতা ইউনিট (এলটিইউ-ভ্যাট)। রাজস্ব আদায়ে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে দাবিনামা জারি করা হয়েছে। তবে প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগের বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে বলা হয়েছে, কোনো রাজস্ব ফাঁকি হয়নি।

এনবিআর সূত্রে জানা যায়, প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের কার্যক্রম নিরীক্ষার জন্য ২০২৫ সালের ২৮ অক্টোবর এলটিইউ-ভ্যাটের একটি নিরীক্ষা দল গঠন করা হয়। পরে প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক প্রতিবেদন, ইন্স্যুরেন্স ও ভ্যাটসংক্রান্ত দলিল এবং মাসিক দাখিলপত্র (ভ্যাট রিটার্ন) যাচাই করা হয়। এতে ৬৬ কোটি ৬ লাখ ৪১ হাজার ২৮৭ টাকা রাজস্ব ফাঁকি বা অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায়। নিরীক্ষা শেষে চলতি বছরের ২৯ জুলাই প্রতিবেদন দেওয়া হয়। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সম্প্রতি দাবিনামাসহ কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে ছয়টি খাতের বিষয়ে পৃথক জবাব দেওয়া হয়েছে।

অবৈধ রেয়াত গ্রহণ

নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রগতি ইন্স্যুরেন্স বিদেশ থেকে বিভিন্ন সেবা আমদানি করে। এসব সেবার বিপরীতে পরিশোধিত মূসকের বিপরীতে প্রতিষ্ঠানটি রেয়াত গ্রহণ করেছে। ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি ৪৩৭ কোটি ৭০ লাখ ১ হাজার ১৫৫ টাকার সেবা গ্রহণ করে। এর বিপরীতে ৬৫ কোটি ৬৫ লাখ ৫০ হাজার ১৭৩ টাকা মূসক পরিশোধ করা হয়। এর মধ্যে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর কর মেয়াদে ২৫ লাখ ৭ হাজার ৯৭ টাকা এবং ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট কর মেয়াদে ১ কোটি ৮৪ লাখ ৮৬ হাজার ১৪৭ টাকাসহ মোট ২ কোটি ৯ লাখ ৯৩ হাজার ২৪৪ টাকা রেয়াত গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটি ওই কর মেয়াদগুলোর দাখিলপত্রে আমদানি করা সেবার সেবামূল্য পরিশোধের সময় প্রযোজ্য মূসক ব্যাংক কর্তৃক উৎসে কর্তনের ট্রেজারি চালান সংগ্রহ করে শুধু উপকরণ কর অংশে প্রদর্শন করে রেয়াত গ্রহণ করেছে। মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ধারা ২০-এর উপধারা (২) অনুযায়ী, আমদানি করা সেবার বিপরীতে প্রদেয় মূসক দাখিলপত্রের উৎপাদ কর ও উপকরণ কর—উভয় অংশে প্রদর্শন করার কথা। এটি করা হয়নি, যা আইনের লঙ্ঘন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া আইনের ধারা ৪৬-এর উপধারা (১)(খ) অনুযায়ী, আমদানি করা সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে সেবার বিপরীতে প্রদেয় উৎপাদ কর পৃথকভাবে প্রদর্শন না করলে ওই সেবার ওপর পরিশোধিত উপকরণ কর রেয়াত গ্রহণ করা যায় না। ফলে গ্রহণ করা রেয়াত বাতিলযোগ্য বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া ২০২২ ও ২০২৩ সালের হ্রাসকারী সমন্বয়ের বিপরীতে প্রতিষ্ঠানটি প্রমাণক নিরীক্ষা দলের কাছে দাখিল করতে পারলেও ২০২৪ সালের কোনো প্রমাণক দিতে পারেনি। ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে ৭ লাখ ৫৮ হাজার ৭২৩ টাকা হ্রাসকারী সমন্বয় গ্রহণের বিপরীতে ৩ লাখ ৪২ হাজার ৮৫৪ টাকার কোনো প্রমাণক দিতে না পারায় ওই অর্থ মূসক হিসেবে আদায়যোগ্য বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য দেখিয়ে ৩৫ কোটি টাকা মূসক ফাঁকি

নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রগতি ইন্স্যুরেন্স দাখিলপত্রে ২৬২ কোটি ১৯ লাখ ৮০ হাজার ৯০৫ টাকা অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য হিসেবে দেখিয়েছে। এর মধ্যে ২৮ কোটি ৮৬ লাখ ৬ হাজার ৯১৫ টাকার প্রমাণক প্রতিষ্ঠানটি দাখিল করতে পেরেছে। বাকি ২৩৩ কোটি ৩৩ লাখ ৭৩ হাজার ৯৮৯ টাকা অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য হিসেবে দেখালেও এর কোনো প্রমাণক দেখাতে পারেনি। এই অর্থের ওপর ১৫ শতাংশ হারে প্রযোজ্য মূসক দাঁড়ায় ৩৫ কোটি ৬ হাজার ৯৮ টাকা। এই মূসক পরিশোধ না করায় তা আদায়যোগ্য বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সহবীমা প্রিমিয়ামে ৬.৪১ কোটি টাকা মূসক

নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এনবিআরের ২০০২ সালের ২৮ নভেম্বরের সাধারণ আদেশ অনুযায়ী কোনো ইন্স্যুরেন্স বা যৌথ বীমার ক্ষেত্রে লিডার কোম্পানি প্রযোজ্য সমুদয় অর্থ সংগ্রহ ও পরিশোধ করবে এবং সহযোগী কোম্পানি তাদের প্রতিবেদনে (ফরম-খ) তা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করবে। তবে প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের ক্ষেত্রে প্রতিবেদনে প্রদর্শিত সহবীমা প্রিমিয়ামকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত সেবা হিসেবে বিবেচনা করে দাখিলপত্রে অব্যাহতিপ্রাপ্ত সেবামূল্যের সঙ্গে একত্রে দেখানো হয়েছে। প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ নিজেদের নন-লিডার কোম্পানি দাবি করে সহবীমা প্রিমিয়ামের ওপর মূসক প্রযোজ্য হবে না বলে জানিয়েছে। প্রগতি ইন্স্যুরেন্স কো-ইন্স্যুরেন্স নন-লিডার স্টেটমেন্ট ৬০ পাতা, সিডিউল ও মানি রিসিপ্ট ৩৫২ পাতা এবং শুধু মানি রিসিপ্ট ৪৮২ পাতা সরবরাহ করেছে। এসব নথি পর্যালোচনা করে নিরীক্ষা দল দেখতে পায়, প্রতিষ্ঠানটি সিডিউল ও মানি রিসিপ্ট সরবরাহ করলেও কো-ইন্স্যুরেন্স-সংক্রান্ত পলিসির কপি, লিডারের মানি রিসিপ্ট, সংশ্লিষ্ট চুক্তি ও ট্রেজারি চালানের কপি বা অন্য কোনো প্রমাণক দেয়নি। ফলে সহবীমার নন-লিডার-সংক্রান্ত দাবি নিরীক্ষা দলের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। এ কারণে সহবীমা প্রিমিয়ামের ওপর মূসক পরিশোধ করতে হবে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। নিরীক্ষাধীন সময়ে প্রগতি ইন্স্যুরেন্স ৫২ কোটি ৫৫ লাখ ৩১ হাজার ৭০৫ টাকা করযোগ্য প্রিমিয়াম সেবামূল্য হিসেবে দেখিয়েছে। এর ওপর ১৫ শতাংশ হারে প্রযোজ্য মূসক ৭ কোটি ৮৮ লাখ ২৯ হাজার ৭৫৫ টাকা। প্রতিষ্ঠানটি এর মধ্যে ১ কোটি ৪৭ লাখ ৩১ হাজার ৫৪৫ টাকা পরিশোধ করেছে। বাকি ৬ কোটি ৪০ লাখ ৯৮ হাজার ২১০ টাকা পরিশোধ করা হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, প্রতিষ্ঠানটি ১২৬টি বাতিল করা মানি রিসিপ্টে ৯ কোটি ৭৬ লাখ ৪২ হাজার ৫৯২ টাকা দেখিয়েছে। এর সঠিক প্রমাণক উপস্থাপন করতে না পারায় ১৫ শতাংশ হারে ১ কোটি ৪৬ লাখ ৪৬ হাজার ৩৮৮ টাকা মূসক পরিশোধ করতে হবে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

উৎসে মূসক ও রিইন্স্যুরেন্স কমিশনে অনিয়ম

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রগতি ইন্স্যুরেন্স একটি লিমিটেড কোম্পানি এবং মূসক বিধিমালা অনুযায়ী এটি উৎসে মূসক কর্তনকারী প্রতিষ্ঠান। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানের ব্যয় বা সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য উৎসে মূসক কর্তন করার কথা। নিরীক্ষাধীন সময়ে প্রতিষ্ঠানটি ৫ কোটি ৮২ লাখ ৫ হাজার ১৭৩ টাকা উৎসে মূসক কর্তন করেছে বলে বার্ষিক প্রতিবেদন বা সিএ রিপোর্টে দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে ২ কোটি ৫২ লাখ ৪৮ হাজার ৫৫৮ টাকা পরিশোধ করা হলেও বাকি ৩ কোটি ২৯ লাখ ৫৬ হাজার ৬১৪ টাকা পরিশোধ করা হয়নি বলে নিরীক্ষায় উঠে এসেছে। এ ছাড়া নিরীক্ষাধীন সময়ে প্রতিষ্ঠানটি ৫৩ কোটি ৮৮ লাখ ৫৭ হাজার ৯৪৫ টাকা রিইন্স্যুরেন্স কমিশন দেখিয়েছে। এর ওপর প্রযোজ্য ৮ কোটি ৮ লাখ ২৮ হাজার ৬৯১ টাকা মূসক পরিশোধ করা হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিদেশি সেবায় উৎসে মূসক ফাঁকি ৯.৬৮ কোটি টাকা

নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মূসক আইনের ধারা ২০ অনুযায়ী বিদেশ থেকে আমদানি করা সেবার ওপর উৎসে মূসক পরিশোধ করতে হবে। নিরীক্ষাধীন সময়ে প্রগতি ইন্স্যুরেন্স ব্যাংকের মাধ্যমে বিদেশ থেকে সেবা আমদানির বিপরীতে ৬৪ কোটি ৫১ লাখ ২৭ হাজার ৮৯৯ টাকা পাঠিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ঢাকা ব্যাংক পিএলসির মাধ্যমে ওই অর্থ পাঠানোর সময় উৎসে মূসক কর্তন করা হয়েছে। বিষয়টি যাচাই করতে এলটিইউ-ভ্যাট ঢাকা ব্যাংকে চিঠি দেয়। তবে ব্যাংক উৎসে মূসক কর্তনের কোনো প্রমাণক দেখাতে পারেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ কারণে বিদেশে পাঠানো ওই অর্থের ওপর ১৫ শতাংশ হারে ৯ কোটি ৬৭ লাখ ৬৯ হাজার ১৮৪ টাকা উৎসে মূসক প্রযোজ্য হয়েছে, যা পরিশোধ করা হয়নি বলে নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

তিন বছরে ৬৬ কোটি টাকার রাজস্ব অনিয়ম

নিরীক্ষা প্রতিবেদনের হিসাবে, প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের অবৈধ রেয়াত, হ্রাসকারী সমন্বয়, অব্যাহতিপ্রাপ্ত সেবা, সহবীমা প্রিমিয়াম, বাতিল করা মানি রিসিপ্ট, ব্যয় বা কেনাকাটা, রিইন্স্যুরেন্স কমিশন এবং আমদানি করা সেবার বিপরীতে মোট ৬৬ কোটি ৬ লাখ ৪১ হাজার ২৮৭ টাকা রাজস্ব ফাঁকি বা অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ২০২২ সালে ২৩ কোটি ৭৯ লাখ ৪১ হাজার ১৭৮ টাকা, ২০২৩ সালে ১৯ কোটি ৭৮ লাখ ৬৯ হাজার ৮৯১ টাকা এবং ২০২৪ সালে ২২ কোটি ৪৮ লাখ ৩০ হাজার ২১৭ টাকা রাজস্ব ফাঁকি বা অনিয়ম হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে প্রগতি ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ও প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) অমর কৃষ্ণ শীল, এফসিএ বলেন, কোনো ধরনের রাজস্ব ফাঁকি হয়নি। তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি, শতভাগ কোম্পানিকে বিরক্ত করা হচ্ছে। কোম্পানিগুলো ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণ করা হয়নি। যেটার ওপর শতভাগ ভ্যাট দেওয়া থাকে, সেটার ওপর আবার ভ্যাট ধরা অনেকটা হয়রানি করা। যারা ভ্যাট দেয়, তাদের হয়রানি করা।’ সহবীমার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘যেমন কো-ইন্স্যুরেন্স। একটা লিডার কিন্তু প্রথমে শতভাগ রিইন্স্যুরেন্স দিয়ে থাকে, ভ্যাট দিয়ে থাকে। সেটার ওপর আপনি কেন আবার ভ্যাট করবেন? এসআরও দ্বারা অনেকগুলোর ওপর ভ্যাট এক্সেম্পটেড। যেমন এক্সপোর্ট অরিয়েন্টেড গার্মেন্টস। এগুলো শতভাগ ভ্যাট এক্সেম্পটেড। না দেখে ভ্যাট করা ঠিক না।’ অমর কৃষ্ণ শীল আরও বলেন, ‘এর আগেও অডিট হয়েছে। সে সময় তো অবজেকশন দেওয়া হয়নি। এখন কেন অবজেকশন দেওয়া হচ্ছে? এটা তো শুধু প্রগতির না, কো-ইন্স্যুরেন্স তো শুধু প্রগতি করে না। এগুলো ইন্ডাস্ট্রির সবাই করে। আমি তো একা নিতে পারি না। তখন তিনটা, চারটা কোম্পানিতে স্প্রেড করে দেয়। এতে যে লিডারশিপ, সে শতভাগ ভ্যাট দিয়ে দেয়। তাহলে সেকেন্ড টাইম কি আবার ভ্যাট হবে?’