পেঁয়াজের বাজার সহনীয় রাখতে আগামী শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) থেকে প্রতিদিন ২০০টি করে আমদানি অনুমতি (আইপি) ইস্যু করা হবে। প্রতিটি আইপিতে আগের মতোই সর্বোচ্চ ৩০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমোদন থাকবে। এর আগে শুক্রবার পর্যন্ত প্রতিদিন ৫০টি করে আইপি ইস্যু করা হচ্ছিল। কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বাজারে দাম সহনীয় রাখতে সরকার গত ৭ ডিসেম্বর পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া শুরু করে। তখন কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, দৈনিক ৫০টি করে আইপি ইস্যু করা হবে। তবে এটি চারগুণ বাড়িয়ে এখন দৈনিক ২০০টি আইপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আবদেনের বিষয় আগের মতো বলবৎ থাকবে। অর্থাৎ গত ১ আগস্ট ২০২৫ থেকে যেসব আমদানিকারক আমদানি অনুমতির জন্য আবেদন করেছেন তারাই কেবল আবেদন পুনরায় দাখিল করতে পারবেন। একজন আমদানিকারক একবারের জন্য আবেদনের সুযোগ পাবেন। পেঁয়াজের বাজার সহনীয় রাখতে পুনরাদেশ না দেয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
এদিকে আমদানি অব্যাহত থাকলেও বাজারে প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারছে না ভারতীয় পেঁয়াজ। শুক্রবার রাজধানীর খুচরা বাজারে মানভেদে ভারতীয় পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হয়েছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। ভারতীয় পেঁয়াজের দাম তুলনামূলক বেশি থাকায় দেশি পেঁয়াজও আগের উচ্চ দরে ফিরে এসেছে। পুরোনো দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়। আর নতুন আসা মুড়িকাটা পেঁয়াজ বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে।
** পেঁয়াজ আমদানি শুরু, কমেছে দাম
** সীমিত পরিসরে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি

