ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের তিন দিন পার হলেও শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পণ্য খালাস কার্যক্রম এখনও ঝিমিয়ে আছে। পণ্য হাতে দেরি হওয়ায় ব্যবসায়ীরা চরম অসুবিধায় পড়েছেন। শৃঙ্খলা দ্রুত না ফিরলে পণ্যের বড় জট সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার জায়গাই এখন বিমানবন্দরের নয় নম্বর গেট। আমদানি করা পণ্যে খালাসের একমাত্র গেট এটি। উড়োজাহাজ থেকে নামানোর পর সেই মালামাল খুঁজে বের করে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে গেট পর্যন্ত আনাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কার্গো ভিলেজের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা দ্রুত খুঁজে পাওয়া মালামাল খালাসে ব্যস্ত থাকছেন। তবে মালামাল বুঝে দেওয়া ও গ্রহণের কাজে তারা তদারকি করতে হিমশিম খাচ্ছেন। এই পরিস্থিতির মধ্যেই বেসামরিক বিমান ও পর্যটন উপদেষ্টা অস্থায়ী ভিলেজ এলাকা পরিদর্শনে আসেন, কিন্তু গেটের বাইরে অপেক্ষমাণ ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তিনি কথা বলেননি। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার তদন্তের পাশাপাশি পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
** কাস্টম হাউসে ৩ শিফটে ২৪ ঘন্টা পণ্য খালাসের নির্দেশ
** পুড়ে যাওয়া পণ্যের শুল্ক ফেরত দেবে এনবিআর
** ইমপোর্ট কুরিয়ার সেকশন থেকে আগুনের সূত্রপাত
** অগ্নিকাণ্ডে ১২ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি: ইএবি
** কার্গো গুদামে ছিল মেয়াদোত্তীর্ণ রাসায়নিক পদার্থ
** ২০০ কোটি টাকার ওষুধের কাঁচামাল পুড়েছে
** ক্ষতির পরিমাণ ছাড়াতে পারে হাজার কোটি টাকা
** আগামী ৩ দিন ‘নন শিডিউলড’ ফ্লাইটের খরচ মওকুফ
** অগ্নিকাণ্ডের ক্ষতি নিরূপণে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন
** শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে আগুন
** ক্ষতির পরিমাণ ১০০ কোটি টাকার বেশি: বিজিএমইএ
