দুই প্রতিষ্ঠানের মালিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

সরষে ইলিশ রেস্তোরাঁ ও মিথিলা এন্টারপ্রাইজ

মানসম্মত না হওয়ায় মিথিলা ফার্মেন্টেড মিল্ক টক মিষ্টি দইয়ের বিরুদ্ধে নিরাপদ খাদ্য আইনে মামলা হয়েছে। সোমবার (৪ মে) ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের খাদ্য আদালতের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. কামরুল হাসান মামলাটি করেন। মামলায় মতিঝিলের সরষে ইলিশ রেস্তোরাঁর স্বত্বাধিকারী হাফিজুর রহমান মল্লিক এবং দই সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান মিথিলা এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. খোরশেদ আলমকে আসামি করা হয়। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে উভয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ এর ২৬ ও ৩৩ ধারা লঙ্ঘন করায় ৫৮ ধারায় এ মামলা করা হয়। মামলার বাদি মোহাং কামরুল হাসান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, মিথিলা ফার্মেন্টেড মিল্ক টক মিষ্টি দই মানসম্মত নয় সন্দেহ হওয়ায় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রসিকিউশনের ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে বাদি গত ১৫ এপ্রিল বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে মতিঝিলের সরষে ইলিশ রেস্তোরাঁ থেকে মিথিলা ফার্মেন্টেড মিল্ক টক মিষ্টি দইয়ের নমুনা সংগ্রহ করেন।

উক্ত নমুনাটি চার ভাগে বিভক্ত করে একটি অংশ বিক্রেতাকে প্রদান, একটি অংশ সংরক্ষণ এবং অপর দুই ভাগ পরীক্ষার জন্য জনস্বাস্থ্য খাদ্য পরীক্ষাগারে প্রেরণ করা হয়।পরবর্তীতে পরীক্ষাগারে খাদ্য বিশ্লেষক ইলিয়াছ জাহেদী স্বাক্ষরিত পরীক্ষার রিপোর্টে দেখা যায় যে, উক্ত টমেটো সস মানসম্মত নয়।

উল্লেখ্য, নমুনা সংগ্রহের সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজারের নিকট হতে গ্রহণ করা হয় এবং পরিদর্শনকালে প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের নিকট হতে ভিডিও ও লিখিত জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে।

মানসম্মত নয় এমন দই কাস্টমারদের পরিবেশন করায় নিরাপদ খাদ্য আইনের ২৩ ধারায় সরষে ইলিশ রেস্তোরাঁ ও দই সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান মিথিলা এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ এর ২৬ ধারার লঙ্ঘন করায় ৫৮ ধারায় এ মামলা করেন তিনি।