দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর তাকে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করতে দেখা গেছে। বেলা পৌঁনে ১২টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকায় পৌঁছান। ফ্লাইটটি ঢাকায় আসার আগে সিলেটে অবতরণ করেছিল। দেশে ফেরার সময় তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান।
বিমানবন্দর থেকে তারেক রহমান যাবেন জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে তথা ৩০০ ফিট রাস্তায় সংবর্ধনাস্থলে। সেখানে অপেক্ষায় থাকা নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে দেশবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন। এরপর বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন এভারকেয়ার হাসপাতালে। হাসপাতাল থেকে যাবেন গুলশান-২ নম্বরের বাসভবনে।
তারেক রহমানের দেশে ফেরা উপলক্ষে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী। বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই দলের নেতাকর্মীরা হেঁটে এবং খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সংবর্ধনাস্থলে পৌঁছান। সরেজমিনে দেখা গেছে, মঞ্চ প্রস্তুত রয়েছে, যেখানে ১৯টি চেয়ার রাখা হয়েছে এবং চারপাশে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা নিয়োজিত আছেন। রাজধানীর কুড়িলের সড়ক থেকে শুরু করে ৩০০ ফিট দূরে সংবর্ধনা মঞ্চ পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে প্রদর্শিত হচ্ছে বিভিন্ন রঙের ব্যানার ও ফেস্টুন। নেতাকর্মীদের স্লোগানে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে।
শুক্রবার বাদ জুমা শেরেবাংলা নগরে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত এবং সেখান থেকে সড়কপথে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন তারেক রহমান। পরদিন শনিবার তিনি নিজে ভোটার হবেন। এ ছাড়া সেদিন শাহবাগে শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত এবং পঙ্গু হাসপাতালে জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের দেখতে যাবেন।

