জিরার আমদানি বাড়লেও দামে ঊর্ধ্বগতি

ভোমরা স্থলবন্দর

সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে জিরা আমদানি আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৫০০ টন বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে সরবরাহ বাড়লেও খুচরা বাজারে এর দামে কোনো ইতিবাচক প্রভাব দেখা যায়নি।

ভোমরা কাস্টমস হাউজের রাজস্ব বিভাগের তথ্যানুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই-মার্চ পর্যন্ত এ বন্দর দিয়ে ২ হাজার ৬৭৮ টন জিরা আমদানি করা হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ১১৫ কোটি ৯২ লাখ টাকা। গত অর্থবছরের ঠিক একই সময়ে আমদানির পরিমাণ ছিল ২ হাজার ১৮৯ টন, যার মূল্য ছিল ৯৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে জিরা আমদানি বেড়েছে ৪৮৯ টন।

ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা বলছেন, দেশের বাজারে জিরার ব্যাপক চাহিদা থাকায় আমদানি বেড়েছে। ভোমরা বন্দরের অন্যতম আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফসান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আবু হাসান জানান, এ বন্দর দিয়ে আমদানি করা জিরাসহ অন্যান্য মসলা ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ করা হয়।

আমদানি বাড়লেও খুচরা বাজারে জিরার দামে কোনো স্বস্তি আসেনি। সাতক্ষীরার জেলা সদরের বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত দুই-তিন সপ্তাহে পণ্যটির দাম উল্টো বেড়েছে। সুলতানপুর বড় বাজারের খুচরা বিক্রেতা মেসার্স ফতেমা স্টোরের স্বত্বাধিকারী আনোয়ার হোসেন জানান, বর্তমানে ভারতীয় জিরা কেজিপ্রতি ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা কয়েক সপ্তাহ আগে ছিল ৬৭৫-৬৮০ টাকা। অন্যদিকে ইরানি জিরার দাম কেজিতে প্রায় ৫০ টাকা বেড়ে এখন ৯০০ টাকায় পৌঁছেছে।

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা এসএম আব্দুল্লাহ জানান, বন্দরে আমদানি বাড়ার পরও সাতক্ষীরার খুচরা বাজারে জিরার দাম কেন কমছে না সেটি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।