২০২০ সালের ২২ মার্চ সাবেক কাস্টমস কমিশনার মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।২০২০ সালের ২২ মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক কাস্টমস কমিশনার মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে সাড়ে ৬৯ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে মামলা দায়ের করে। সম্প্রতি তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
দুদক সূত্র জানায়, তদন্তে সাবেক কাস্টমস কমিশনার মোহাম্মদ নূরুল ইসলামের স্ত্রী কামরুন বদরের নামে ১ কোটি ৭৪ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ পাওয়া গেছে। তিনি চাকরি করতেন না এবং ব্যবসা পরিচালনার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি, ফলে তারা পরস্পর যোগসাজশে অবৈধ সম্পদ বৈধ করার চেষ্টা করেছেন।
মামলার তদন্ত করেছেন দুদকের সহকারী পরিচালক নুরুল ইসলাম। তিনি যেকোনো দিন আদালতে চার্জশিটটি দাখিল করবেন। ২০২০ সালে মামলাটি দায়ের করেছিলেন উপপরিচালক এসএমএম আখতার হামিদ ভূঞা।
মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম অভিযোগের বিষয়ে বলেন, তার আয়কর নথিতে সব সম্পদ প্রদর্শিত আছে, তবে দুদক তা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত দাবি করেছে। দুদক এর বিরুদ্ধে মন্তব্য করে বলে, আয়কর নথিতে প্রদর্শন করলেই সম্পদ বৈধ হয় না। ২০১৬ সালে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের সদস্য থাকাকালে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়, এবং একই বছর দুদক তাকে গ্রেফতার করে।
