কর ফাঁকিতে চ্যাম্পিয়ন শীর্ষ চিকিৎসকরা

দেশের ১৭ কোটি মানুষের জন্য দেড় লাখ চিকিৎসক—মানে প্রতি এক হাজার ২০০ জনে একজন ডাক্তার। ফলে হাসপাতাল ও চেম্বারে রোগীর লম্বা লাইন এখন স্বাভাবিক দৃশ্য। গরিব রোগী হলেও বেশির ভাগ চিকিৎসক ফ্রি সেবা দেন না; বরং ফি, নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও অতিরিক্ত খরচে রোগীর বোঝা আরও বাড়ে। গণমাধ্যমে এমন অভিযোগও পাওয়া যায়—টাকা দিতে না পারলে অনেক হাসপাতাল মৃত রোগীর লাশ পর্যন্ত আটকে রাখে। মহৎ পেশা হওয়া সত্ত্বেও কিছু চিকিৎসক এটিকে রূপ দিয়েছেন অর্থ উপার্জনের যন্ত্রে। বিপুল আয় করেও তাঁরা বহু বছর ধরে আড়াল করছেন প্রকৃত উপার্জন ও সম্পদ। সরকারকে কাঙ্ক্ষিত কর না দিয়ে নিয়মিতই ফাঁকি দিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা।

কর বিভাগের হাতে ধরা পড়ার পর কেউ কেউ জরিমানাসহ ফাঁকির টাকা জমা দিচ্ছেন, তবে বেশির ভাগ চিকিৎসকই এখনো ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, দেশের অন্তত ১০ হাজার চিকিৎসক বছরে মোটামুটি ছয় হাজার ২৫০ কোটি টাকার কর ফাঁকি দেন। তথ্য অনুযায়ী, চিকিৎসা খাতে বছরে ব্যয় হয় প্রায় ৭৭ হাজার কোটি টাকা—যার বড় অংশই যায় হাসপাতাল, ডাক্তার ও ওষুধের পেছনে। নামকরা চিকিৎসকদের পকেটে যায় এর উল্লেখযোগ্য অংশ। কোটি টাকার বেশি আয় করেও কর দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের অনীহা স্পষ্ট। আয়ের তথ্য গোপন করে তাঁরা বছরে গোপনে বাঁচিয়ে দিচ্ছেন কয়েক হাজার কোটি টাকার কর। অথচ এই টাকা সরকার পেলে দেশের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বিদেশের সহায়তার দিকে তাকাতে হতো না।

ডা. দ্বীন মোহাম্মদ কর অঞ্চল-২৩-এর করদাতা। আয়কর নথি অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ করবর্ষে তাঁর আয় সাত লাখ ৪৮ হাজার টাকা। সম্পদের পরিমাণ ৫৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা। ২০২৪-২৫ করবর্ষে আয় সাত লাখ ৫৫ হাজার ৭৩০ টাকা। সম্পদ দেখিয়েছেন ৬২ লাখ ৮৭ হাজার টাকা। অথচ অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তাঁর কাছে রোগীর সিরিয়াল পাওয়া অনেকটাই ভাগ্যের ব্যাপার! সিরিয়াল পাওয়া রোগী দেখা শুরু করেন বিকেল ৪টা থেকে। তবে রোগীর চাপ বিবেচনায় অনেক সময় রাত ১টা পর্যন্তও রোগী দেখেন।

এসপিআরসি হাসপাতালে শুক্র ও শনিবার ছাড়া সপ্তাহের বাকি পাঁচ দিন রোগী দেখেন দ্বীন মোহাম্মদ। সরকারি ছুটির দিনগুলোতেও তাঁর চেম্বার থাকে বন্ধ। তবু নাম-যশ ও পরিচিতির কারণে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে থেকেও রোগীরা ভিড় জমান তাঁর চেম্বারে। প্রতিদিন গড়ে অন্তত ৫০ জন রোগী দেখেন তিনি। প্রতিটি রোগীর ফি এক হাজার ৫০০ টাকা হিসেবে দৈনিক আয় দাঁড়ায় প্রায় ৭৫ হাজার টাকা। রোগীর অবস্থা সাধারণ হলে চিকিৎসা দেওয়া হয় এসপিআরসিতেই। তবে অবস্থা গুরুতর হলে তাঁকে ভর্তি করা হয় শমরিতা হাসপাতালে। সেখানে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ভর্তি, ছোটখাটো সার্জারি ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে একজন রোগীর পকেট থেকে বেরিয়ে যায় লাখ টাকা পর্যন্ত। এর অন্তত ৬০ শতাংশই যায় দ্বীন মোহাম্মদের ভাগে। শুধু চেম্বার থেকে রোগী দেখার হিসাব ধরলে—মাসে ২২ দিন কাজ করলে তাঁর আয় দাঁড়ায় ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ব্যস্ততা এবং উৎসবের দিন বাদ দিয়ে বছরে তিনি যদি ২০০ দিন রোগী দেখেন, তাহলে বার্ষিক আয় দাঁড়ায় প্রায় এক কোটি ৫০ লাখ টাকা। এর সঙ্গে শমরিতা হাসপাতালে চিকিৎসা, সার্জারি, বিভিন্ন টেস্টের কমিশন এবং ওষুধ কোম্পানির দেওয়া অর্থ ও উপহার যোগ করলে আয় দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়ায় অন্তত তিন কোটি টাকা। অভিযোগ হলো—এই পুরো অঙ্কই অপ্রদর্শিত থাকে। ফলে সরকারের রাজস্ব হিসেবে এই অর্থের এক টাকাও জমা পড়ে না।

কর ফাঁকির বিষয়ে জানতে ডা. দ্বীন মোহাম্মদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে হোয়াটসঅ্যাপে আয়ের তথ্য গোপন করে কর ফাঁকির বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে খুদেবার্তা পাঠালে তিনি দেখেও এর কোনো জবাব দেননি। ডা. এ কে এম মূসা কর অঞ্চল-১০-এর করদাতা। তাঁর আয়কর নথি অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ করবর্ষে আয় ৩২ লাখ ৩৫ হাজার ৪৪৬ টাকা। সম্পদের পরিমাণ চার কোটি ১২ লাখ টাকা। ২০২৪-২৫ করবর্ষে আয় ৪৬ লাখ চার হাজার ৪৭০ টাকা। সম্পদ দেখিয়েছেন চার কোটি ৪১ লাখ টাকা। অথচ সরেজমিনে দেখা গেছে, তাঁর কাছে সিরিয়াল নিতে গেলে সরেজমিনে উপস্থিত হতে হয় ভোর সাড়ে ৬টায়। আলোক হেলথকেয়ারে সপ্তাহে ছয় দিন ও ল্যাবএইড হাসপাতালে সপ্তাহে চার দিন চেম্বার করেন তিনি।

আলোকে প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ছাড়া বাকি ছয় দিন বসেন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত। রোগী দেখেন গড়ে ৩৫ জন। প্রথম ভিজিটে এক হাজার ২০০ টাকা, এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয় ভিজিটে এক হাজার টাকা, রিপোর্ট দেখাতে ৩০০ টাকা চার্জ করেন ডা. মূসা। নতুন-পুরনো রোগীর সমন্বয়ে গড় ফি এক হাজার ১০০ টাকা হিসাব করলে প্রতিদিনের আয় ৩৮ হাজার ৫০০ টাকা। এই টাকার ৭০ শতাংশ ডাক্তারের, বাকি ৩০ শতাংশ হাসপাতালের। সে হিসাবে ডাক্তার পান ২৬ হাজার ৯৫০ টাকা। অন্যদিকে ল্যাবএইডে প্রথম ভিজিটে এক হাজার ৫০০ টাকা, এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয় ভিজিটে ৮০০ টাকা, প্রথম তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট দেখালে ৩০০ টাকা। নতুন-পুরনো রোগীর সমন্বয়ে প্রতিটি রোগীর গড় ফি এক হাজার ১৫০ টাকা হিসাব করলে প্রতিদিন আয় হয় ২৩ হাজার টাকা। এই টাকার ৭০ শতাংশ পান ডাক্তার, বাকি ৩০ শতাংশ পায় হাসপাতাল। সে হিসাবে ডাক্তার পান ১৬ হাজার ১০০ টাকা।

দুই হাসপাতালের চেম্বারে রোগী দেখে প্রতিদিন ডা. মূসার আয় দাঁড়ায় ৪৩ হাজার ৫০ টাকা। বছরে ৩০০ দিন রোগী দেখলে শুধু রোগীর ফি থেকেই তাঁর বার্ষিক আয় হয় এক কোটি ২৯ লাখ ১৫ হাজার টাকা। গড়ে প্রতিদিন তিনি ৫৫ জন রোগী দেখেন। এর মধ্যে অন্তত ২৫ জনকে তিনি রক্ত পরীক্ষা, আল্ট্রাসাউন্ড, এক্স-রে, সিটিস্ক্যান, এমআরআইসহ বিভিন্ন ধরনের টেস্ট করানোর পরামর্শ দেন। এসব টেস্ট থেকে ডাক্তাররা ক্ষেত্রবিশেষে ২০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন পান। অনেক হাসপাতালে ডাক্তারদের জন্য টেস্ট করানোর নির্দিষ্ট টার্গেটও নির্ধারিত থাকে। এ ছাড়া বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির ব্র্যান্ডের ওষুধ প্রেসক্রিপশনে লিখে দেওয়ার বিনিময়ে ডাক্তাররা পান মোটা অঙ্কের অর্থ ও নানা ধরনের উপহার। এসব উৎস থেকে যে আয় আসে, তা রোগী দেখার ফির তুলনায় অনেক বেশি। কিন্তু ২০২৪-২৫ করবর্ষে ডা. মূসা যে আয় দেখিয়েছেন, তাতে দেখা যায়—শুধু রোগীর ফি হিসেবেই তিনি আয় কম দেখিয়েছেন অন্তত ৮৩ লাখ ১০ হাজার ৫৩০ টাকা। টেস্টের কমিশন ও ওষুধ কোম্পানির অর্থ যোগ করলে কর ফাঁকির পরিমাণ দুই কোটি টাকারও বেশি হয়ে যায়। আয়ের তথ্য গোপন করে কর ফাঁকির বিষয়ে জানতে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর ডা. এ কে এম মূসা বলেন, ‘রোগী দেখছি, পরে ফোন দেন’, এরপরই কল কেটে দেন। পরে প্রতিবেদকের নম্বর ব্লক করে রাখায় বারবার চেষ্টা করেও তাঁর সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

অথচ আয়কর নির্দেশিকা অনুযায়ী, একজন ডাক্তারের নতুন রোগী কিংবা পুরনো রোগী দেখার ফি, বার্ষিক মূল বেতন, বাড়িভাড়া ভাতা, উৎসব ভাতা, চিকিৎসা ভাতাসহ যেকোনো আয় তাঁর করনথিতে উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক। তবে দেশের শীর্ষস্থানীয় এই দুই ডাক্তার তাঁদের আয়ের নামমাত্র অর্থই উল্লেখ করেছেন। পৃথক আয়কর রিটার্নে দুজনের আয় কম দেখানো হয়েছে বছরে পাঁচ কোটি টাকা। এই টাকার ওপর ২৫ শতাংশ হারে সরকার কর পেলে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে যোগ হতো এক কোটি ২৫ লাখ টাকা। সে হিসাবে গড়ে কর ফাঁকির পরিমাণ ৬২ লাখ ৫০ টাকা। পাঁচ বছর এই হারে কর ফাঁকি দিলে গড়ে দুজনের এই ফাঁকির পরিমাণ দাঁড়ায় ছয় কোটি ২৫ লাখ টাকা। সঙ্গে জরিমানা যোগ করলে অঙ্কটা আরো বড় হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ বুলেটিনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে নিবন্ধিত ডাক্তারের সংখ্যা এক লাখ ৪১ হাজার ৯৯৯। জনসংখ্যা (১৭ কোটি ১০ লাখ) বিবেচনায় প্রতি হাজার মানুষের জন্য ডাক্তার আছেন শূন্য দশমিক ৮৩ জন।

আয়কর আইন ২০২৩-এর ধারা ৩১২ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি আয় গোপন করলে বা সম্পদ, দায় ও ব্যয়ের ভুল তথ্য দিলে তা ইচ্ছাকৃতভাবে করদায় এড়ানোর অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে আয়কর বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা জানান, রোগী দেখা, অন্য হাসপাতালে রোগী রেফার করা, বিভিন্ন ধরনের টেস্ট, রোগী ভর্তি, কেবিনে নেওয়া, অপারেশন এবং ওষুধ কোম্পানির সুবিধাসহ ডাক্তারদের আয়ের উৎস বহু ধরনের। কিন্তু এসব লেনদেনের বেশির ভাগই হয় নগদ অর্থে; ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন না হওয়ায় আয় গোপন করা তাদের জন্য সহজ হয়ে দাঁড়ায়। কর্মকর্তারা আরও জানান, কর ফাঁকি দেওয়া হচ্ছে জেনেও বিভিন্ন দিক থেকে ‘নির্দেশনা’ থাকায় অনেক ডাক্তারকে অডিটের আওতায় আনা যাচ্ছে না। এতে বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। বিভিন্ন ব্যাংকে তাঁদের নামে এফডিআর ও বিলাসবহুল ফ্ল্যাট থাকলেও এসব তথ্য আয়কর রিটার্নে উল্লেখ করা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ রয়েছে। কর ফাঁকি প্রতিরোধে এনবিআরের কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চাইলে সংস্থাটির কর প্রশাসন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার সদস্য জি এম আবুল কালাম কায়কোবাদ বলেন, ‘প্রতিটি রাজস্ব সভায় কর কমিশনারদের এই বিষয়ে বিশেষভাবে কাজ করতে বলা হয়েছে। গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদারের জন্য প্রতিটি কর অঞ্চলে গোয়েন্দা ও তদন্ত সেল (আইআইসি) গঠন করা হয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে কর ফাঁকির অভিযোগ পাওয়া যাবে, সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চলের সেলগুলো তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় তদন্ত ও পদক্ষেপ নেবে।’

সেরা করদাতার আড়ালে কর ফাঁকি

স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত দেশের শীর্ষ চিকিৎসকদের অন্যতম ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত—নাক, কান, গলা বিশেষজ্ঞ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন এবং আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকায় দীর্ঘদিন ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক। উল্লেখযোগ্য আয় থাকায় তিনি নিয়মিত করদাতা হিসেবেও পরিচিত ছিলেন; টানা আটবার পেয়েছেন ‘সেরা করদাতা’ সম্মাননা। তবে সেরা করদাতার খেতাবের আড়ালে গোপন ছিল কর ফাঁকির অনিয়ম। এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) সম্প্রতি তাঁর কর নথি পর্যালোচনা করে দেখেছে, তিনি বিপুল অঙ্কের এফডিআরের তথ্য গোপন করেছেন। তদন্তে কর ফাঁকি প্রমাণিত হওয়ায় প্রাথমিকভাবে এক কোটি ৭২ লাখ টাকা পরিশোধ করেছেন তিনি। এই ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে আরও অনুসন্ধান চলছে। বিরোধী দলের অংশগ্রহণহীন ও বিতর্কিত নির্বাচনে দুবার সংসদ সদস্য হয়েছিলেন প্রাণ গোপাল। এদিকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এনবিআরকে চার লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব সংগ্রহের লক্ষ্য দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে আয়কর খাতে লক্ষ্য এক লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু অর্থবছরের প্রথম তিন মাসেই রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে আয়কর খাতেই ঘাটতি ছয় হাজার ৫৪১ কোটি টাকা। বড় অঙ্কের কর ফাঁকি এই ঘাটতির অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

** সূত্র কালের কণ্ঠ