জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবা গ্রহণকারী পাঁচটি প্রতিষ্ঠান তৃতীয় পক্ষের কাছে তথ্য ফাঁস করেছে। প্রাথমিক তদন্তে এর প্রমাণ পেয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।আজ সোমবার সকালে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এনআইডি যাচাই সেবা গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি বলেন, কোন প্রতিষ্ঠানের কতটুকু তথ্য প্রয়োজন, যতটুকু নিচ্ছে তা বেশি নিচ্ছে কি না, তা পর্যালোচনা করা হবে। ইসি সিনিয়র সচিব বলেন, ‘এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে শোকজ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর অসতর্কতায় না ইচ্ছাকৃতভাবে এটা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদি কেউ স্বপ্রণোদিতভাবে এটা করে থাকে তাহলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।’
অভিযুক্ত পাঁচ প্রতিষ্ঠান হলো—স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ইউসিবি ব্যাংকের উপায়, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের আইবাস।
আখতার আহমেদ বলেন, নির্বাচনী কমিশনের অগোচরে কিছু প্রতিষ্ঠান তাদের দেওয়া তথ্য যাচাইয়ের সুযোগ কাজে লাগিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তথ্য শেয়ার করেছে, যা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি জানান, তথ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে গ্রাহক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। যার জন্য যতটুকু তথ্য প্রয়োজন, তিনি কেবল ততটুকুই গ্রহণ করতে পারবেন। কীভাবে এসব তথ্য ফাঁস হয়েছে, তা একটি টেকনিক্যাল বিষয় এবং বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইসি সচিব জানান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তথ্য চাহিদা ভিন্ন হতে পারে, যেমন বাংলাদেশ পুলিশের প্রয়োজন পাসপোর্টের মতো নয়। তিনি বলেন, ভেরিফিকেশন একটি সাধারণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে, এবং অতিরিক্ত তথ্যের জন্য আরও আলোচনা হবে। এছাড়া, এনআইডি অনুবিভাগ থেকে ১৮২টি প্রতিষ্ঠান সেবা নেয় এবং তথ্য ব্যবহারে সীমা রাখা উচিত, সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
