Header – After

আবারও বাড়ল চিনির দাম

বেশ কয়েক মাস ধরে স্থিতিশীল থাকা চিনির বাজারে গত এক সপ্তাহে পাইকারি দর বাড়ার ফলে খুচরা পর্যায়ে দাম ফের ১০০ টাকায় উঠেছে। আগে এক সময়ে খোলা চিনি ৯০ টাকায় নেমেছিল। প্যাকেট চিনিও প্রায় একই দামে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে সবজি, ডিম ও মুরগিসহ নিত্যপণ্যের বাজার গত সপ্তাহের মতোই স্থিতিশীল দেখা গেছে।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত বছর প্রায় পুরোটা সময় ধরে চিনির দাম স্বাভাবিক ছিল। পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় বাজারে কোনো ঘাটতি দেখা যায়নি। এখনও ঘাটতি নেই। তবে অল্প কয়েকদিনের ব্যবধানে পাইকারি বাজারে চিনির বস্তায় (৫০ কেজি) ২০০ থেকে ২৫০ টাকার মতো দাম বেড়েছে। খুচরা বাজারে এর কিছুটা প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। দেশে পরিশোধিত চিনির দর সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা ছুঁয়েছিল ২০২৩ সালের শেষদিকে। পরের বছরের কয়েক মাসও এই দর ছিল। এরপর ধীরে ধীরে কমতে থাকে। গত বছরের প্রায় পুরোটা সময় চিনির কেজি ১০০ থেকে ১১০ টাকার মধ্যে ছিল। শেষ কয়েক মাস দর কমে ৯০ টাকায় নেমে আসে। এখন আবার বাড়তে শুরু করেছে।

বুধবার রাজধানীর কয়েকটি খুচরা বাজারে খোঁজে জানা গেছে, খোলা চিনি প্রতি কেজি ১০০ টাকায় এবং প্যাকেট চিনি ১০০–১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে খোলা চিনি কমবেশি ৯০ টাকায় এবং প্যাকেট চিনি ১০০ টাকার মধ্যে ছিল। এর ফলে প্রতি কেজিতে দাম বেড়েছে ৫–১০ টাকা। কারওয়ান বাজারের ইয়াসিন জেনারেল স্টোরের স্বত্বাধিকারী মনোয়ার হোসেন বলেন, এ বছর চিনির বাজার অনেক স্বাভাবিক ছিল। দাম এক সময়ে ৯০ টাকায় নেমেছিল। এখন আবার ১০০ টাকায় উঠেছে। পাইকারি বাজারে গত পাঁচ-ছয় দিনে বস্তার দাম ২০০ থেকে ২৫০ টাকা বেড়েছে, তাই খুচরাতেও দাম বেড়েছে।

এদিকে বাজারে শীতকালীন সবজির প্রচুর সরবরাহ দেখা যাচ্ছে। দামও তুলনামূলকভাবে কম রয়েছে। খুচরা বাজারে বেশ কিছু সবজি ৫০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে। মানভেদে শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪৫ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা। মূলার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়। বেগুনের দাম নেমেছে ৪০ থেকে ৬০ টাকায়। মাঝারি আকারের ফুল ও বাঁধাকপির পিস আগের মতো ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচের কেজি ক্রয় করা যাচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়।