Header – After

আখতারের বার্ষিক আয় ৫ লাখ, সম্পদ ২৭ লাখ

হলফনামা

জাতীয় নাগরিক কমিটি (এনসিপি)–এর সদস্য সচিব আখতার হোসেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-৪ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার লক্ষ্যে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে হলফনামা জমা দিয়েছেন। গত ২৮ ডিসেম্বর দাখিল করা ওই হলফনামায় তিনি নিজের পেশা, সম্পদের বিবরণ ও মামলার তথ্য উল্লেখ করেছেন।

হলফনামা অনুযায়ী আখতার হোসেন–এর বার্ষিক আয় ৫ লাখ ৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে চাকরি থেকে আয় ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা, ব্যবসা থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং কৃষি খাত থেকে ৮৫ হাজার টাকা। হলফনামায় তাঁর মোট অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ২৭ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে নগদ অর্থ ১৩ লাখ টাকা এবং ঢাকার একটি এক্সিম ব্যাংক হিসাবে জমা রয়েছে ২ লাখ ৯৯ হাজার ৪২৬ টাকা। পাশাপাশি তাঁর স্ত্রীর কাছে নগদ ৪ লাখ টাকা থাকার তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে।

হলফনামা অনুযায়ী আখতার হোসেন নিজের নামে ৭ লাখ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ১০ লাখ টাকার স্বর্ণালংকারের তথ্য উল্লেখ করেছেন। তবে ঘোষিত তথ্যের মধ্যে একটি অমিল দেখা যায়। হলফনামায় তাঁর মোট অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ২৭ লাখ টাকা দেখানো হলেও, ২০২৫–২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্নে মোট সম্পদের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছে ১৪ লাখ ৩৫ হাজার ৪০০ টাকা। স্থাবর সম্পদের হিসাবে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত কিছু কৃষিজমি এবং ১০০ শতাংশের একটি প্লটের তথ্য দেওয়া হয়েছে, যা এখনো পারিবারিকভাবে বণ্টন করা হয়নি।

আইনি তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শাহবাগ থানায় দায়ের হওয়া দুটি মামলা বর্তমানে আখতার হোসেনের বিরুদ্ধে বিচারাধীন। এর আগে ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে তার বিরুদ্ধে আরও চারটি মামলা ছিল, যেগুলোতে তিনি খালাস পেয়েছেন।

শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকে তিনি নিজেকে এলএলএম পাস দেখিয়েছেন এবং বর্তমানে শিক্ষানবিশ আইনজীবী হিসেবে কর্মরত আছেন বলে জানিয়েছেন। বাংলাদেশের নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, প্রার্থীদের সম্পদ, আইনি ইতিহাস ও শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ বাধ্যতামূলক, যাতে ভোটাররা স্বচ্ছতার ভিত্তিতে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারেন।